,

ব্রাক্ষনবড়িয়া শহরের একমাএ শিশু পার্কটি বেহাল অব্যস্হা

sesuparkআমিরজাদা চৌধুরী : কোমল মতি শিশুদের ব্রাহ্মনবাড়িয়া শহরের বিনোদনের তেমন ভাল কোন ব্যবস্হা নাই  বল্লেই চলে। ছোট এই জেলা শহরে যাওয়ার মত তেমন ভাল কোন বিনোদনের জায়গা ও নেই। ১৯৮৪ সালে এই শিশু পার্কটিতে  ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলা প্রশাসনের সার্বিক  সহযোগিতায় জাতীয় সৃতি সৌধ নির্মান করা হয়, আর এই সৃতি সৌধটি উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেন মোহম্মদ এরশাদ। ব্রাক্ষনবাড়িয়া শিশু পার্কটির বেহাল অব্যস্হা, নেই কোন বাচ্চাদের খেলা ধূলার সরন্জাম দেখার মত বা শিক্ষনীয় তেমন কিছু চোখে পড়েনা। আর যতটুকু খেলা ধূলার সরন্জাম, বসার ব্যবস্হা আছে তাও একেবারে নাজুক,  খুবই  খারাপ  অব্যস্হা।বাচ্চা নিয়ে ঘুরতে আসা মৌসুমী আক্তার বলেন, পার্কটিতে বাচ্চাদের খেলা ধূলার কোন ইনুষ্টমেন্ট নাই, নিজেদের বসার জন্য ভাল কোন ব্যবস্হা নাই, আমরা ব্রাক্ষনবাড়িয়া শহরের মানুষ নিজেদের বাচ্চাদের নিয়ে কোথায় যাব, যাওয়ার মত তেমন কোন দর্শনীয় স্হান ও নেই। এই শিশু পার্কটির আশে পাশে রয়েছে দুইটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল,একটি প্রাইভেট হাসপাতালে, একটি গ্রন্তাগার,প্রথম শ্রেণীর  অফিসার্স ষ্টাপ কোর্য়াটার।   প্রায়ই পার্কটিতে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত্য স্কুল -কলেজে পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের সারাক্ষন থাকে বেপোয়ারা  আড্ডা।কথা হয় চটপটি বিক্রেতা গিয়াস উদ্দিনের সাথে সে আমাদের কে জানায়, এখানে ছেলে -মেয়েরা  বিভিন্ন অসাজিক কর্মকান্ডের (সেটঅ্যাপ) নিরাপদ পয়েন্ট হিসাবে বেছে নিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়ীরা এই শিশু পার্কটিকে। এখান থেকে  বিভিন্ন খারাপ মেয়েরা তাদের খদ্দর কে নিয়ে যায় আশে পাশের মহল্লারগুলোর  ভাবী দের (ভাড়াটিয়া ফ্ল্যাট বাসায়)। আর উঠতি বয়সের আশে -পাশের মহল্লা গুলোর সব বকাটে ছেলেদের সারাক্ষন আড্ডা থাকে এই পার্কটিতে।অনেক প্রতারক চক্রের মেয়েরা বিভিন্ন প্রতারনার ফাঁদ ফেলে বসে থাকে । বোরকা পড়া ছাএী লেবাস দারী অনেক মেয়েরাই প্রতারনা ও অসাজিক কর্মকান্ডের মূল হাতিয়ার। তাদের রয়েছে নিজস্ব বখাটে ক্যাডার গ্রোপ। পার্কটিতে এখন ভাল পরিবারের লোকজন খুবই কম আসে, তাই আমাদের বেচাকেনা আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। আগে যেখানে প্রতিদিন ২৫০০/৩০০০ টাকা বেচা -বিক্রি হতো, এখন সেখানে খুব বেশী হলে ১০০০/১৫০০ টাকা বিক্রি হয়। কথা হয় অফিসার্স ষ্টাফ কোর্য়াটারের আনসার সিপাহী রমজান আলীর সাথে, সে  জানায়,  আমাদের দায়িত্ব পার্কের ভিতরে নয়, তবুও সারাদিন চোখে যা দেখি তা সাধারন মানুষের সহ্য করার মত নয়। পার্কটির এমন বেহাল অব্যস্হা দেখে নিজের খুবই খারাপ লাগে। আপনারা প্রশাসনের উর্দতন মহলের কাছে জোর দাবী জানান, অচিরের যেন পার্কটির রক্ষনা বেক্ষন এবং বখাটে খারাপ ছেলেদের ও অসামাজিক কর্মকান্ড লিপ্ত মেয়েদের ধরে আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া জন্য।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা