,

চলে গেলেন চলচ্চিত্রকার শহীদুল ইসলাম খোকন

Khokonনিজস্ব প্রতিবেদক : অবশেষে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকন।

সোমবার (৪ এপ্রিল) সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। এখানেই দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বাদ জোহর এফডিসিতে এ চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

শহীদুল ইসলাম খোকনের ভাতিজা রাইসুল রনি তার মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করে বাংলামেইলকে জানান, তার মরদেহ কোথায় নেয়া হবে তা পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার পর জানানো হবে।

শহীদুল ইসলাম খোকনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও পরিবেশক এবং শিল্পীসমিতি। এ ছাড়াও শোক জানিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি।

উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকন মুখগহ্বরের মোটর নিউরো ডিজিসে (এএলএস) আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই গুণী নির্মাতার উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারও এগিয়ে আসে। তাকে ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়া হলে নিউইয়র্কের বেলভিউ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, এ রোগের নিরাময় সম্ভব নয়। এরপর তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তখন থেকেই ধানমণ্ডি ও উত্তরার বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল।

তার পরিচালিত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হচ্ছে- ‘ঘাতক’, ‘পালাবি কোথায়’, ‘লাল সবুজ’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘ভণ্ড’, ‘লড়াকু’, ‘বীরপুরুষ’, ‘বজ্রমুষ্টি’, ‘বিপ্লব’, ‘অকর্মা’, ‘সতর্ক শয়তান’, ‘বিষদাঁত’, ‘টপ রংবাজ’, উত্থান পতন’।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা