,

কোনো আলোচনা নয় ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে 

 
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বলেছেন, ‘ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এ বিষয়ে কারো সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না’। তিনি ইরানের একটি টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাতকারে এ কথা বলেছেন। আরাকচি আরো বলেছেন, ‘ইরান পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়নের আগে ইমাদ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। কিন্তু তখন আমেরিকাসহ ইউরোপীয় দেশগুলো এ বিষয়ে কোনো আপত্তি তোলেনি’।

4bk42bb1eded0e5m3a_620C350

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের পরমাণু সমঝোতার পর পাশ্চাত্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে দুর্বল করার জন্য নতুন করে নাটক শুরু করেছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে আমেরিকা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে নানা প্রস্তাব তুলে ধরেছে এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে ইরানকে বিরত রাখার জন্য নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলছে।

 

 

ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পরমাণু আলোচক দলের সদস্য আরাকচি বলেন, পাশ্চাত্য ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদে দু’টি বৈঠকের আয়োজন করলেও কোনো ফল পায়নি। এমনকি তারা ইরানের বিরুদ্ধে একটি বিবৃতি প্রকাশ করতেও ব্যর্থ হয়েছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে আমেরিকার আহবানে ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদে ওই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। আমেরিকা ও তার ইউরোপীয় মিত্ররা জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে লেখা চিঠিতে দাবি করে ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের লঙ্ঘন। চিঠিতে আরো দাবি করা হয়, ইরান পরমাণু ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।

 

ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমেরিকা নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে কিছু করতে ব্যর্থ হওয়ার পর তারা ইরানের কয়েকটি কোম্পানি ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এক তরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রণালয় সম্প্রতি জানিয়েছে, ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রতি সমর্থন জানানোর কারণে ইরান ও দেশটির বাইরে কয়েকটি কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এমন সময় এসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হল যখন ইরান বার বার বলে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা তাদের প্রতিরক্ষা নীতিরই অংশ এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক কোনো বাধা নেই।

 

 

ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের পরমাণু সমঝোতা হওয়ার পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদও একটি প্রস্তাব পাশ করে। তাতে বলা হয় ইরানের প্রচলিত সামরিক তৎপরতায় কোনো বাধা নেই। প্রকৃতপক্ষে, আমেরিকা ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে যে আচরণ করছে তা প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক অধিকার ও কনভেশনের লঙ্ঘন।পরমাণু ক্ষেত্রেও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা বহুবার বলেছেন, তাদের পরমাণু অস্ত্রের কোনো প্রয়োজনই নেই এবং তারা পরমাণু অস্ত্র উৎপাদন ও বিস্তার রোধ সংক্রান্ত এনপিটি চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এ কারণে পরমাণু বোমা বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই।

 

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, পরমাণু সমঝোতার পর আমেরিকা ও তার মিত্ররা কোনো না কোনো অজুহাতে ইরান আতঙ্ক সৃষ্টি ও দেশটির ওপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে। এসব অজুহাতে তারা নতুন করে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাপাচ্ছে। কারণ তাদের ধারণা নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানকে কোণঠাসা করা সম্ভব হবে। অথচ নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে কোনো যে লাভ হবে না তা আগেই প্রমাণিত হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা