,

 ব্যান্ডেজ খোলার অপেক্ষা ট্রি-ম্যান

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বামীর হাতের ব্যান্ডেজ কবে খুলবে, কবে দেখতে পাবেন হাত ভাল হয়ে গেছে, নাড়াচাড়া করতে পারছেন- সেই অপেক্ষায় রয়েছেন ট্রি-ম্যানের স্ত্রী।অপেক্ষায় রয়েছেন তার মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন। এর আগে ড্রেসিং পরিবর্তন করা হলেও ট্রি-ম্যানের পরিবার এখনও দেখতে পারছেন না, তার হাতের কি অবস্থা।

 

Abul1459169386

তবে তারা আশাবাদি হাতের অবস্থা দিন দিন ভাল হচ্ছে। হয়তো শিগগিরই আবুলের হাতের ব্যান্ডেজ খোলা হবে। হাত দিয়ে সে ভাত খেতে পারবে, নাড়াচাড়া করতে, কাজ করতে পারবে। প্রায় তিন বছরের মেয়েকে আদর স্নেহ করতে পারবে।আবুলেরও ইচ্ছে ব্যান্ডেজ খোলার পর মেয়েকে প্রথম আদর-স্নেহ করা। নিজ হাতে তাকে ভাত খাইয়ে দেওয়া। কারণ মেয়ের জন্মের পর এখনো তিনি তাকে আদর-স্নেহ করতে পারেন নি।
তবে শুধু ট্রি-ম্যানের পরিবার নয়, তার হাতে অস্ত্রোপচারের বিষয়টি যারা শুনেছেন তারা সবাই এখন ব্যান্ডেজ খোলার অপেক্ষায় রয়েছেন। সকলেই আশাবাদী যে আবুলের হাত ভাল হয়ে যাবে।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের অপারেশন থিয়েটারে তার অস্ত্রোপচারের পর দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কৌতুহলী অনেকে আবুলকে দেখতে এসেছেন।

 

বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা.সামন্ত লাল সেন বলেন, আবুলের হাতের অবস্থা খুব ভাল। হয়তো আরো দুই মাস পরে অবস্থা বুঝে তার ডান হাতের ব্যান্ডেজ খোলা হতে পারে। এ পর্যন্ত ডান হাতে দুবার ড্রেসিং করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার আবার তার হাতে ড্রেসিং করা হবে।পায়ে অস্ত্রোপচার কবে নাগাদ করা হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৬ এপ্রিল বৈঠক করে পায়ে অস্ত্রোপচারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

আবুলের স্ত্রী হালিমা আকতার জানান, ১৯ মার্চ বা হাতের অপারশনের পর গত মঙ্গলবার আবুলের দুই হাতের ড্রেসিং করা হয়। আবার আগামীকাল মঙ্গলবার ড্রেসিং করার কথা রয়েছে।
আগামীকালও একসঙ্গে দুই হাতের ড্রেসিং করা হবে। হাতের আঙ্গুলের কি অবস্থা তা তিনি এখনো দেখতে পারেন নি। তিনি এখন ব্যান্ডেজ খোলার অপেক্ষায় রয়েছেন।
তিনি বলেন, হাতের কি অবস্থা তা ব্যান্ডেজ খোলার আগে দেখা যাবে না। আমি ব্যান্ডেজ খোলার অপেক্ষায় রয়েছি। তার স্বাভাবিক হাত দেখার জন্য বিয়ের পর থেকে অপেক্ষায় রয়েছি।

আবুল বলেন, ভাই আমি এখন অনেক ভাল আছি। আমার কোন অসুবিধা নেই। খুবই ভাল লাগে। সবার সহযোগিতা পাওয়ার জন্য নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে হয়। তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আবুল তার সুস্থতার জন্য সবার দোয়া কামনা করেছেন। তিনি বলেন, ব্যান্ডেজ খোলার পর হাত দিয়ে প্রথম আমি আমার মেয়েকে আদর-স্নেহ করবো। মেয়েকে খাইয়ে দেবো।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বাজনদারের ডান হাতে এবং ১৯ মার্চ বা হাতে সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। ১০ বছর ধরে এই রোগে ভোগা আবুলকে ৩০ জানুয়ারি ঢামেকের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। খুলনার পাইকগাছার মানিক বাজনদার ও আমেনা বেগমের ছেলে ট্রি-ম্যান আবুল বাজনদার।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে