,

মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দিয়েছেন সাজাপ্রাপ্ত দুই মন্ত্রী

kamrul-and-mozammel_8160-400x225আদালত অবমাননার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়েছে। এক ঘণ্টা পরে আজকের বৈঠক শুরু হয়। এতে আদালত অবমাননার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত দুই মন্ত্রীও যোগ দেন বলে নিশ্চিত করেছেন বৈঠকের একাধিক সূত্র।
এ আর আগে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হককে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন খারিজ করে দুই মন্ত্রীকে সাজা দেন এ প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৮ সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় দেন।
রায়ে দুই মন্ত্রীর প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে এ টাকা পরিশোধ করতে হবে। অনাদায়ে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদ-ের নির্দেশ দেয়া হয়।
আদালত আদেশে বলেন, দুই মন্ত্রী তাদের বক্তব্যের জন্য সশরীরে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন জানিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন। কিন্তু দু’জনই সাংবিধানিক পদে আছেন। তারা বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য- এ বিবেচনায় আমরা তাদের নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন গ্রহণ করতে অপারগ। তারা তাদের শপথ অনুযায়ী সংবিধান রক্ষা করে চলতে বাধ্য।
গত ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানিকালে মামলার তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপনে দুর্বলতার কারণে প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থার প্রতি গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেন আপিল বিভাগ।
বিষয়টি নিয়ে আপিলের রায় ঘোষণার তিন দিন আগে ৫ মার্চ সরকারের দুই মন্ত্রী বিরূপ মন্তব্য করেন। রাজধানীর বিলিয়া সেন্টারে এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে পুনরায় মীর কাসেম আলীর আপিল শুনানির আহবান জানিয়েছিলেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
তখন খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতি যে মন্তব্য করেছেন, তাতে আসামির মৃত্যুদ- হওয়ার কোনো কারণই নেই। আমি নিশ্চিত যে, তার কথা থেকে তিনি বাইরে যেতে পারবেন না। আসামিকে হয় তিনি খালাস দেবেন, নয় সাজা কমিয়ে দেবেন, না হয় মামলা পুনর্বিচারে পাঠাবেন। আর এরপরও যদি রায় অন্যরকম (মৃত্যুদ-) হয়, তাহলে আবার অনেকে বলবে, সরকার চাপ দিয়ে রায় বহাল রেখেছে।
এই মামলা পরিচালনা থেকে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকেও বাদ দেয়ার আহবান জানিয়েছিলেন তিনি।
একই অনুষ্ঠানে সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকও প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে সমালোচনায় লিপ্ত হন। তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি যদি ওপেন কোর্টে কোনো মন্তব্য করে থাকেন তাহলে একজন বিচারপতি হিসেবে, দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তারই সেটা বোঝা উচিত। তিনি এমনটা করে থাকলে আমি আহবান করব তিনি সেটা প্রত্যাহার করে নেবেন।’ এর বাইরেও দুই মন্ত্রী আরও কঠোর মন্তব্য করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা