বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেমরায় র‌্যাবের অভিযানে বোমা সরঞ্জামসহ ৫ জঙ্গি গ্রেফতার

jmb_jugantor_6866নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে জেএমবির ময়মনসিংহ জেলা আমির হুযাইফা আকন্দ শাহিন  ওরফে সিয়ামসহ পাঁচ জেএমবি নেতাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এরা দীর্ঘ দিন ধরে সক্রিয় ছিল। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরীর সরঞ্জাম, ইমপ্রোভাইসড এক্সপলোসিভ ডিভাইসসহ ও জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার অন্য জঙ্গিরা হলেন- মোহাম্মদ ইয়াসিন আলী শফিক, মামুনুর রশিদ মামুন, আবুল হাসেম ওরফে হাসেম হাওলাদার ও শফিকুল ইসলাম।

জানা গেছে, র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের একদল চৌকস কর্মকর্তা প্রযুক্তিগত অনসন্ধানের মাধ্যমে এসব জঙ্গির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত হন। একপর্যায় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা গত এক সপ্তাহ ধরে তাদের ওপর নজরদারি শুরু করেন।  এ নজরদারির অংশ হিসেবে রোববার রাতে ডেমরা মাতুয়াইলের কাঠেরপুল বাঘবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়।

রাতে র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে জেএমবি নেতারা জানিয়েছে, ‘ঢাকাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তাদের হামলার পরিকল্পনা ছিল।’ তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব।

র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লে কর্নেল আবুল কালাম আজাদ যুগান্তরকে বলেন, জঙ্গিরা বড় ধরণের নাশকতার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছিল। কিন্তু র‌্যাবের নজরদারি এবং অব্যাহত গোয়েন্দা তৎপরতায় তাদের নাশকতার বিষয়টি যেমন ধরা পড়ে, তেমনি হামলার মতো ঘটনাও এড়ানো সম্ভব হল।

র‌্যাবের এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র‌্যাব জঙ্গিদের দমনে কঠোর ভুমিকা পালন করে আসছে।

অভিযানে অংশ নেয়া র‌্যাবের কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতার জঙ্গিদের কাছ থেকে ইমপ্রোভাইসড এক্সপলোসিভ ডিভাইস, জিহাদী বই, বোমা তৈরীর সরঞ্জাম এবং তাদের কিছু কর্মপরিকল্পনা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জঙ্গিরা স্বীকার করেছে, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে তারা সক্রিয় হচ্ছিল। এদিনে পাবলিক প্লেসে হামলার মাধ্যমে নিজেদের শক্তি জানান দিতে চেয়েছিল তারা।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাববাদে গ্রেফতার জেএমবি নেতা হুযাইফা স্বীকার করেছে, ২০০৬ সালে সে হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে হিযবুত তাহরীর সদস্যদের সঙ্গে মতাদর্শের মিল না হওয়ার কারণে সেখান থেকে বের হয়ে আসে। তবে হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকে।  জঙ্গি ইয়াছিন আলী স্বীকার করে, সে শফিক গার্মেন্টসে কাজ করার পাশাপাশি বিভিন্ন দৈনিক ও মাসিক পত্রিকা বিক্রি করে। আর এ কৌশলে সে গোপনে অনেক জিহাদী চেতনামূলক বই (কিতাবুল আমীন, তাওহীদের মুরশীদ, দুই শতাধিক ঈমামদের ফতোয়া, উম্মুক্ত তরবারী, দ্বীন কায়েমের পথ ইত্যাদি) বিলি করতো।

পাশাপাশি তাদের মতাদর্শে বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে আসার জন্য দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা করে। বিভিন্ন পর্যায়ের নতুন যুবকদের জিহাদী বইগুলো দিয়ে নিয়মিত পড়ার পাশাপাশি  প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে তাদের নিয়ে যেত। সে আরও জানায়, ঢাকাসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা ও নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। বিশেষ করে  ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে পরিকল্পনা ছিল হামলার। আর এ জন্য নিজেদের মধ্যে শহীদ হওয়ার শপথও নিয়েছিল তারা।

এ জাতীয় আরও খবর

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াইয়ে ইতিহাস নয়, জয় চায় দুই দল

শহীদ-মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রণয়নে রাজনীতির অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি আরব

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিকে অযৌক্তিক বলছেন অনেক শিক্ষার্থী

সচিবালয়ের পথে লংমার্চে শিক্ষার্থীরা

সাজেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলো

হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে সরকারের ৫ সিদ্ধান্ত

চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা

কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানি হামলার পর বাজল সতর্ক সাইরেন