বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্দোলন সফল হবেই ২০ দলের

 
নিজস্ব প্রতিবেদক : গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ২০ দলীয় জোটের জনসম্পৃক্ত চলমান আন্দোলন অবশ্যই সফল হবে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।শুক্রবার (১১ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে ২০ দলীয় জোট শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টি ঢাকা মহানগরী আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ দাবি করেন তিনি।

004_169175

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে ‘হয়রানিমূলক রাষ্ট্রদ্রোহী’ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন একতরফা প্রহসনের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপির আন্দোলন চলছে। এ আন্দোলন জনসম্পৃক্ত হওয়ায় আগামী দিনে তা অবশ্যই সফল হবে। জনগণের কোনো আন্দোলন কখনো ব্যর্থ হয় না।

 

 

‘অনির্বাচিত হওয়ায় বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ নয়’, এমন মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, কোনো সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ না থাকলে সে দেশে খুন-রাহাজানি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ছেয়ে যায়। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের একমাত্র উপায়, দেশে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। সেজন্য অবিলম্বে সকল দলের অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রয়োজন।

 

তিনি বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন নিয়ে সরকারের একজন মন্ত্রী বলেছেন, এটি একটি তামাশা। বিএনপির সব নেতাকে আগেই বলে দেয়া হয়েছে, কেউ যেন তাদের বিপরীতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ না করে। এ সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য তাদের কাছে আছে।’

 

সরকারের ওই গোয়েন্দা রিপোর্টকে ‘ফরমায়েশি গোয়েন্দা রিপোর্ট’ উল্লেখ করে বিএনপির এ নীতি-নির্ধারক বলেছেন, সরকার যেভাবে চায়, গোয়েন্দারা সেভাবে রিপোর্ট দিতে পারে। এটি ‘ফরমায়েশি গোয়েন্দা রিপোর্ট’। ফরমায়েশি লেখকও আছেন। আপনি যেভাবে বলবেন, ফরমায়েশি লেখক আপনাকে সেভাবেই লিখে দেবে।

 

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বিএনপির ওই দুই শীর্ষ পদে নির্বাচনের জন্য কমিশন গঠন, রিটার্নিং অফিসার নিয়োগসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, স্বচ্ছতার সাথে মিডিয়ার উপস্থিতিতে নির্বাচনী প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ না করায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

 

নজরুল ইসলাম দাবি করে বলেন, কাউন্সিলে বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে চেয়ারপারসন/সভাপতি হিসেবে তাদের নাম প্রস্তাব করা হলে কেউ তাদের বিরোধিতাও করবে না, প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করবে না। বরং বিএনপির দুই শীর্ষ পদে আগে নির্বাচন হওয়ায় এবং সেখানে খালেদা জিয়া-তারেক রহমান ‍উপস্থিত না থাকায় ওই দুই পদে দলের যে কারোর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার সুযোগ বেশি ছিল।

 

ঢাকা মহানগর লেবার পার্টির সভাপতি শামসুদ্দিন পারভেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, নগর সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ খান প্রমুখ।

এ জাতীয় আরও খবর

চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা

কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানি হামলার পর বাজল সতর্ক সাইরেন

মেট্রোরেলের বিজ্ঞাপন আয় নিয়ে কর জটিলতা কাটাতে চিঠি

আন্দোলনের আশঙ্কায় এইচএসসি কেন্দ্রে অভিভাবকদের ভিড়

দেশকে সবুজ করতে শিশুদের গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

স্পেনের শিরোপা স্বপ্নে ‘তিন অভিশাপের’ হিসাব

বন্যার্তদের পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব: ত্রাণমন্ত্রী

ট্রাম্পকে নতুন চাপে ফেলছে ইরানের কৌশল

দরপত্র ছাড়া ১৫ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ

সাগরে লঘুচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

দুর্গতদের পাশে সরকার, সহায়তা অব্যাহত: প্রতিমন্ত্রী

মানবপাচার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী