,

হূদরোগে হঠাৎ মৃত্যু রোধ পদ্ধতি উদ্ভাবন

www.bonikbartaস্বাস্থ্য ডেস্ক : তরুণ অ্যাথলিটদের মধ্যে হঠাৎ হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা দেখা যায়। হাইপারট্রফিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি (এইচসিএম) নামক এক ধরনের বংশপরম্পরাগত হূদরোগের কারণে এমনটা ঘটে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা এ মৃত্যু প্রতিরোধে একটি সম্ভাব্য চিকিত্সা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। বিজ্ঞানীরা এক্ষেত্রে ১৫ বছরের বেশি সময়ের পুরনো একটি গবেষণাকে কাজে লাগিয়েছেন। খবর দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।

ইউনিভার্সিটি অব ভারমন্টের কলেজ অব মেডিসিনের মলিকিউলার সাইকোলজি ও বায়োফিজিকসের অধ্যাপক ডেভিড ওয়ারশের নেতৃত্বে একদল গবেষক ২০০০ সালে এইচসিএমের ওপর একটি গবেষণা করেন। এতে দেখা যায়, মায়োসিন নামক একটি নির্দিষ্ট প্রোটিনের পরিবর্তনের (মিউটেশন) কারণে সৃষ্ট অকার্যকারিতার ফলে সূচনা হয় এইচসিএমের। আর এইচসিএমের জন্য হূিপণ্ড ভারী হয়ে যেতে থাকে। ফলে এক সময় হঠাৎ করেই হূিপণ্ড রক্ত সঞ্চালনের কার্যকর ক্ষমতা হারায়, যা নিয়ে যায় হূদক্রিয়া বন্ধের দিকে। প্রসঙ্গত, মায়োসিন হূদযন্ত্রের পেশিগুলোর সংকোচন-প্রসারণে কাজ করে। এর অকার্যকারিতার কারণে হূদপেশি রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা হারাতে থাকে। মায়োসিনের এক ধরনের পরিবর্তনের কারণে এমনটা ঘটে থাকে। মূলত সংকোচন-প্রসারণের ক্ষমতা হ্রাসের কারণে নয়, অতি বৃদ্ধির কারণে মায়োসিন অকার্যকর হয়ে পড়ে।

সম্প্রতি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল এইচসিএম প্রতিরোধে সম্ভাব্য চিকিত্সা পদ্ধতি উদ্ভাবনে গবেষণা করেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন, ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো ও মায়োকার্ডিয়া নামক একটি বায়োটেকনোলজি কোম্পানি। তারা তাদের গবেষণায় ওয়ারশ পরিচালিত গবেষণার প্রাথমিক কিছু ফলাফলকে ব্যবহার করেছেন।

বিজ্ঞানী দলটি ইঁদুরের ওপর মায়োসিনের পরিবর্তনজনিত অকার্যকারিতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে গবেষণা করেন। এতে মায়োসিনের মিউটেশনে প্রতিবন্ধকতা তৈরিতে কিছু ক্ষুদ্র অণু প্রয়োগ করা হয়। তারা ইঁদুরটিকে একটি ওষুধের মাধ্যমে এ ক্ষুদ্র অণুু প্রদান করেন। এতে দেখা যায় আট সপ্তাহ বয়সের ইঁদুরটি এইচসিএম সৃষ্টিতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছে। আর হূদযন্ত্র স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে।

নতুন এ গবেষণা সম্পর্কে ওয়ারশ বলেন, যেহেতু এইচসিএম একটি বংশানুক্রমিক রোগ, সেহেতু কোনো শিশুর মধ্যে এ ধরনের মিউটেশনের লক্ষণ দেখা গেলে চিকিত্সার মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা যাবে। আমার কাছে মনে হচ্ছে, এটি খুবই আশাব্যঞ্জক।

তবে মানুষের জন্য এ ধরনের ওষুধ তৈরিতে আরো সময় লাগবে বলে মনে করছেন গবেষকরা। মানুষের ওপর প্রয়োগের আগে আরো বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তারা।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ