,

বিষধর ও নির্বিষ বাদামি সাপ

snakkবাদামি সাপের একটি প্রজাতি অত্যন্ত বিষধর সাপ। অস্ট্রেলিয়া ও উত্তর আমেরিকায় দুটি পৃথক প্রজাতির সাপ বাদামি সাপ বা ‘ব্রাউন স্নেক’ নামে পাওয়া যায়। মূলত দুই ধরনের সাপ হওয়ায় একটি প্রজাতির বাদামি সাপ নির্বিষ ও অন্যটি উচ্চমাত্রায় বিষধর। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে লাইভ সায়েন্স। উত্তর আমেরিকার বাদামি সাপটি মূলত নির্বিষ। এটি ছোট ও লাজুক প্রজাতির সাপ হিসেবে পরিচিত। বাদামি ছাড়াও এর রং ধূসর বাদামি হয়। এছাড়া সাপটির মাথার কাছাকাছি অংশ দুটি সমান্তরাল কালো দাগ থাকে। এ সাপটির আকার ১০ থেকে ২১ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। এ সাপটি বিষধর না হলেও তা অন্য বিষধর সাপের সঙ্গে অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন। ফলে মানুষ বিষধর সাপ মনে করে একে প্রায়ই হত্যা করে।

এ সাপটির বিচরণ ভূমি উত্তর আমেরিকার বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে প্রধানত পূর্বাঞ্চলে এটি দেখা যায়। শহরাঞ্চলেও এ সাপটি পাওয়া যাওয়ার কারণে একে অনেকে শহুরে সাপও বলেন। এ সাপটি শহরাঞ্চলের সবচেয়ে সাধারণ সাপ হিসেবে পরিচিত। এ সাপটি উচ্চ অঞ্চলগুলোতে সেভাবে পাওয়া যায় না। তবে কানাডা ও উত্তর মেক্সিকোতেও এ সাপ পাওয়া যায়। এ সাপটির মধ্যে শহরে বসবাসকারীগুলো খাবার হিসেবে শহরের লোকজনের ফেলা ময়লা-আবর্জনাতে বিচরণ করে এবং সেখান থেকেই খাবার সংগ্রহ করে। এ সাপগুলো বসবাসের স্থান হিসেবেও ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থানে, নির্মাণ সামগ্রী রাখার স্থানে কিংবা পরিত্যক্ত পদার্থের মাঝে দেখা যায়।

অস্ট্রেলিয়ায় সে বাদামি সাপটি পাওয়া যায় তার বৈজ্ঞানিক নাম Pseudonaja textilis। অস্ট্রেলিয়ার পূর্বাঞ্চল এর আদি নিবাস। এর আরেক উপ-প্রজাতির বসবাস আবার নিউ গিনিতে। পূর্বাঞ্চলীয় বাদামি রঙের সাপের গায়ের রঙের ভিন্নতা রয়েছে।
সাধারণত এর শরীর বাদামি বর্ণের হয়। তাছাড়া কিছু সাপের বর্ণ কালো, কমলা, হলুদ ও ধূসর রঙেরও হয়। কম বয়সীদের মাথা কালো থাকে। এর বিষ মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্র ধ্বংস এবং শরীরের রক্ত জমাট করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে।
উত্তর আমেরিকার বাদামি সাপের মতোই এটি শহুরে অঞ্চলে স্বাচ্ছন্দের সঙ্গে বসবাস করে। শহরের মানুষের বসবাসের স্থানে, পরিত্যক্ত জিনিসপত্রে কিংবা ময়লা ফেলার স্থানে এটি বিচরণ করে। এটি খাবার হিসেবে ব্যাঙ, ছোট পাখি ও বিভিন্ন প্রজাতির ইঁদুর পছন্দ করে।
এ সাপটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিষধর সাপ হিসেবে পরিচিত। তবে বিশ্বের হিসেবে এটি ১০ম বিষধর সাপ। এর বিষে প্রতি বছর প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়।
বছরে একবার করে সাপটি স্ত্রী প্রজাতির সঙ্গে মিলিত হয় এবং তার কিছুদিন পর ডিম পাড়ে। একসঙ্গে প্রায় ১৬টি ডিম পাড়ে এ সাপ। তবে কোনো কোনো সাপের তার চেয়ে বেশি ডিম পাড়তেও দেখা যায়। কোনো কোনো সাপ একসঙ্গে ৩৫টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। এরপর তা প্রায় আড়াই মাস পর ফুটে বাচ্চা বের হয়। স্ত্রী সাপ ডিম পাড়ার পর পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত তা পাহারা দেয়। পরবর্তীতে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হলে তা নিজেই বিচরণ করে। জন্মের সময় বাচ্চা সাপের দৈর্ঘ্য হয় প্রায় ১১ ইঞ্চি।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা