,

প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশংকা নেই : শিক্ষামন্ত্রী

nahid_2797নিউজ ডেস্ক : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশংকা একেবারেই নেই। সন্দেহভাজনদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। কোচিং ও ফটোকপির দোকানেও রয়েছে নজরদারি। ফেসবুকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিষয়ে বিটিআরসিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, পরীক্ষক ও শিক্ষকদের প্রতি উত্তরপত্রে বেশি নম্বর দেয়ার কোনো নির্দেশনা নেই। কম নম্বর দেয়ারও নির্দেশনা নেই। যার যা প্রাপ্য, তা-ই দিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, এবার প্রথমবারের মতো সাতজন অটিস্টিক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের জন্য ৩০ মিনিট সময় বেশি রাখা হয়েছে। তবে অন্য প্রতিবন্ধীদের বাড়তি সময় আগের মতোই ২০ মিনিট রাখা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) অংশের পরীক্ষা আগে হবে। পরে হবে সৃজনশীলের পরীক্ষা। দুই অংশের পরীক্ষার মাঝে ১০ মিনিট সময়ের ব্যবধান থাকবে।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এতদিন সৃজনশীল অংশ আগে হতো। পরে এমসিকিউ অংশ হতো। অভিযোগ ছিল, এমসিকিউ অংশের প্রশ্ন অসাধু কিছু শিক্ষক মোবাইলে ছবি তুলে বাইরে পাঠিয়ে উত্তরপত্র এনে শিক্ষার্থীদের কাছে সরবরাহ করতেন।

১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৮ মার্চ শেষ হবে। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ১৪ মার্চ শেষ হবে।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষাসচিব সোহরাব হোসাইনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন ।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা