,

টাকা বিচ্ছিন্ন, ঢাকা শহরে এক গাদা মানুষকে নিয়ে এসেছে: মাশরাফি

113117_Untitled-4ক্রিকেটার কেবল নয়; কোন জাতির ইতিহাসে এমন মানুষই আসে শতবর্ষের আরাধনায়। মাশরাফি হলো গ্রিক ট্রাজেডি আর ভারতীয় রোমান্টিকতার মিশেলে এক মহাকাব্য। সে মাশরাফি বিন মুর্তজার জীবনী লিখেছেন সাংবাদিক দেবব্রত মুখোপাধ্যায়। ‘মাশরাফি’ নামের বইটি এরই মধ্যে তৈরি করেছে বিপুল আলোচনা। মানবজমিনের অনলাইন পাঠকদের জন্য ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে বইটির বিভিন্ন অংশ। আজ প্রকাশিত হলো বইয়ে মাশরাফির দেয়া সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ-
টাকা তো জীবনে বদলে দেওয়ারও ক্ষমতা রাখে।
শুধু জীবন কেন, সমাজকেই তো বদলে দিচ্ছে। টাকার টানে আমরা সব যার যার শেকড় ছেড়ে আজ কে কোথায়! টাকা বিচ্ছিন্ন এক গাদা মানুষকে ঢাকা শহরে নিয়ে এসেছে। কারো সঙ্গে কারো সম্পর্ক নেই। একবার ভেবে দেখুন, আপনার পাশের বাসায় একটা মানুষ যন্ত্রণায় মারা যাচ্ছে; আপনি হয়তো জানেনও না। এই যে সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে না মানুষে মানুষে; কেন? ব্যস্ততা। কিসের ব্যস্ততা? টাকার।
বই বা পত্রিকা পড়েন?
বই পড়ি না। পত্রিকা পড়ি। খেলার খবরের জন্য দেশের, দেশের বাইরের পত্রিকা প্রচুর পড়ি। এ ছাড়া দেশের পত্রিকায় অন্যান্য খবরও পড়ি। খুব যন্ত্রণা লাগে খেলার বাইরের কিছু খবরাখবর পড়লে। রাজনীতির নিউজ পড়ি।
আপনাকে লোকে বলে পিপলস স্টার। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে কোন বিতর্ক গায়ে লাগেনি। এটা কীভাবে ধরে রেখেছেন?
দেখেন, নিজেরে এ রকম বিশুদ্ধ মানুষ মনে করি না। জীবনে অন্যায় করিনি, বিতর্ক তৈরি করার মতো কাজ করিনি; এটা সত্যি না। করেছি, হয়তো সামনে আসেনি। এটুকু বুঝি যে, কোথায় কী করা উচিত, বলা উচিত। সেটা মেনে চলি। নইলে কিছু বিতর্কের মতো কাজ করিনি; তা পৃথিবীর কোনো মানুষের পক্ষে দাবি করা কঠিন।
এখনো কি নড়াইল একই রকম টানে?
মনে হয় আগের চেয়েও বেশি টানে। এখন আরও বেশি মনে হয়, এই ঢাকা আমার নয়। আমি নড়াইল চলে যেতে চাই। কিন্তু বাচ্চার আছে, স্ত্রী আছে; সব ফেলে চাইলেই এখন চলে যেতে পারি না।
বউ কেমন?
বউ! ঠিক বুঝে উঠতে পারি না। আসলে সেই কলেজ থেকেই তো একসাথে। বন্ধু ছিলাম তো। বন্ধু হিসেবেই তো দেখি প্রায় সময়। তাই কেমন বউ, তা ঠিক বুঝে উঠতে পারি না।
মেয়ের কথা বলেন। আপনি তো মেয়ে অন্তঃপ্রাণ। জন্মের সময় কোথায় ছিলেন?
হাসপাতালে। হুমায়রার জন্মঘটনা মনে করলে আমার মনে হয়, আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্য করেন। ২০১১ বিশ্বকাপ খেলতে পারিনি। আল্লাহ আরেকটি পরীক্ষা এদিকে, রেখে দিয়েছিলেন। আমার স্ত্রীকে ডাক্তাররা ক্লিনিক্যালি ডেড ঘোষণা করেছিলেন। আর সেই অবস্থা থেকে……..
কী হয়েছিল?
এক রাতের মধ্যে বিলিরুবিন বেড়ে ১২ পার হয়ে গেল। পরদিন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ। আমি মাঠে থাকলে ওর ওই অবস্থা কারো খেয়াল করতে পারার কথা না। মানুষকে নিয়ে আল্লাহর একটা মহাপরিকল্পনা থাকে।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে