,

তিস্তায় আ.লীগ নেতার বালু বাণিজ্যে

2016_01_24_11_16_24_TgmXzfczIW6ArobFk5y7oVP8mhoWrs_originalপ্রতি বছরই শুকনো মৌসুম শুরু হলেই তিস্তা নদী থেকে বালু তোলার প্রতিযোগিতায় নামেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তিস্তার করাল গ্রাস থেকে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক রক্ষায় প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার বোল্ডার ফেলে ভাঙন রক্ষার চেষ্টা করেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। অথচ ওই স্থান থেকেই নদীর বালু তুলে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

প্রতিদিন প্রায় এক ডজন ট্রাক্টর সেই বালু পরিবহন করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য সবাই দেখলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙছে না। এতে করে আসন্ন বর্ষায় পানির তীব্র স্রোতে একদিকে যেমন সরকারের কোটি কোটি টাকার বোল্ডার নদীর গর্ভে বিলীন হতে পারে তেমনি অন্যদিকে লালমনিরহাট-বুড়িমারী সড়ক ও রেলপথটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

হাতিবান্ধা উপজেলার পারুলিয়া নামক স্থানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, তিস্তা নদী থেকে একের পর এক ট্রাক্টর এসে বালু তুলে নিয়ে যাচ্ছে।

ট্রাক্টরের ড্রাইভার ও হেলপাররা জানান, নদীর বালু নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন স্থানে বাসা-বাড়ির উঠুন, জলাশয়, গর্ত ও পুকুর ভরাট কাজে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে প্রতি ট্রাক বালু ৪/৫ শ টাকা বিক্রি হয়।

স্থানীয়রা জানা যায়, পাটগ্রাম ও হাতিবান্ধা উপজেলার কতিপয় আওয়ামী লীগ নেতা প্রায় এক মাস আগে নদীর বালু তুলে বিক্রি করা শুরু করে।

এভাবে বালু বিক্রি করে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা উপার্জন করা হচ্ছে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের। তবে নদী থেকে বালু উত্তোলনকারীদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, নদীর বালু তুললে কার কী। অভিযোগ রয়েছে পাটগ্রাম ও হাতিবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েক শীর্ষ নেতা এ বালু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কমিশন পেয়ে থাকেন। তবে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে কথা হলে তারা নদী থেকে বালু উত্তোলন এবং কমিশন নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, তিস্তার করাল গ্রাস থেকে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কটি রক্ষায় গত বছরও সাড়ে কোটি টাকার বোল্ডার দিয়ে চারটি স্পার নিমার্ণ করা হয়েছে। অথচ ওই স্থানের মাত্র ২০/৩০ গজ দূরত্বে মধ্যে বালু তোলার কারণে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পানির তীব্র স্রোতে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের স্পার ভেঙে নদীগর্ভে মিশে যাওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে হাতিবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান, নদীর বালু তুলে বিক্রির বিষয়টির কোনো লিখিত অভিযোগ নেই উল্লেখ করে বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক নদী থেকে বালু তোলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘মৌখিকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অচিরেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে