বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, ভোজ্যতেলের দাম কোথাও কমেনি

111_1838নিউজ ডেস্ক : সরকারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি রাখেনি ব্যবসায়ীরা। লিটারে ৫ টাকা ভোজ্য তেলের দাম কমানোর কথা থাকলেও দেশের কোথাও তা কার্যকর হয়নি। এখনও আগের দামেই বাজারে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল।
জানা গেছে, বিশ্ববাজারে অব্যাহতভাবে কমছে ভোজ্যতেলের দাম। ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টন সয়াবিন তেলের দাম ছিল এক হাজার ৩০০ ডলার। বর্তমানে তা ৬৬০ ডলারে নেমেছে। এ হিসেবে দাম কমেছে প্রায় অর্ধেক। আর এ দামের সঙ্গে সমন্বয় করতে বৃহস্পতিবার দেশের ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমানো হবে। আর শনিবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। সংগঠনের সভাপতি ফজলুর রহমানসহ শীর্ষ নেতারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ব্যবসায়ীরা সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন। তবে বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি।

দেশে ভোজ্যতেল প্রস্তুত ও সরবরাহকারী উল্লেখযোগ্য ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে- রূপচাঁদা, তীর, ফ্রেস, পুষ্টি, ভিওলা ও দাদা। এছাড়া বেশ কিছু ব্যবসায়ী খোলা সয়াবিন, সুপার অয়েল ও পাম অয়েল সরবরাহ করে থাকেন।

রবিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ৮৫ থেকে ৮৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বোতলজাত সয়াবিন তেল ৯৭-১০৫ এবং পাম তেল ৫৮ থেকে ৬২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাম, সুপার তেল বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৫ টাকা দরে। খুচরা ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, তেলের জোগানদাতা মিল মালিকরা দাম কমানোর ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা দেননি এবং আগের দামেই তেল কিনতে হচ্ছে। ফলে ব্যবসায়ীরা আগের দামেই তেল বিক্রি করবেন। ডিলার, খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, এখনই তেলের দাম কমানো সম্ভব নয়। আগের দামের যেসব তেল বাজারে আছে, তা শেষ না হলে নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাবে না।
এক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতারা পাইকারি ব্যবসায়ীদের ওপর দায় চাপাচ্ছে। তারা বলছে, মিল মালিক ও পাইকারদের না জানিয়ে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর