,

বিডিআর বিদ্রোহের সাথে খালেদার যোগসূত্র ছিল (ভিডিও)

120-400x276বিডিআর বিদ্রোহের সাথে খালেদা জিয়ার যোগসূত্র ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে বলেছেন আওয়ামী লীগ নাকি বিডিআর বিদ্রোহের সাথে জড়িত ছিল। কিন্তু আমরা জনগণের ম্যানডেড নিয়ে ক্ষমতায় এসেছি। সেই সরকার কেন একটি বাহিনীতে বিদ্রোহ ঘটাবে। এটা কোনো সরকার করতে পারে না।সোমবার বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আওয়ামী লীগের সামাবেশে তিনি একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার কাছে আমার প্রশ্ন বিডিআর বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল সকাল নয়টায়, তখন খালেদা জিয়া ক্যান্টনমেন্টের বাড়িতে থাকতেন। সেই বাড়ি থেকে সকাল সাড়ে সাতটা-আটটার মধ্যেই তিনি বের হয়ে চলে গেলেন আন্ডারগ্রাইন্ডে। তিনি কেন আন্ডানগ্রাইন্ডে গেলেন এই জবাব তাকে জনগণের কাছে দিতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, এই বক্তব্য থেকে এটাই প্রমাণিত হয়, এই ঘটনার সাথে তার যোগসূত্র ছিল এবং তার ছেলে তারেক রহমান লন্ডন সময় রাত একটায় ৪৫ বার ফোন করেছে বাংলাদেশে। তার মাকে ওই বাসা থেকে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যেতে বলেছে। কেন তার ছেলে বাসা থেকে বের হয়ে যেতে বলল এই বলার রহস্য কী? তাহলে তার এই ঘটনার সাথে অবশ্যই যোগসূত্র ছিল।
শহীদদের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এদেশ স্বাধীন হয়। সেই শহীদদের সংখ্যা নিয়েও থালেদা জিয়া কটাক্ষ করেন। খালেদা জিয়ার দিলে পেয়ারা পাকিস্তান, তিনি পাকিস্তানকে ভুলতে পারেন না। তাই পাকিস্তানি দোসররা যে সুরে কথা বলেন, তিনিও সেই সুরে কথা বলেন।’
জিয়াউর রহমান প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। উচ্চ আদালত সেই বিষয়ে রায় দিয়েছেন। ফলে উচ্চ আদালতের রায় মানলে জিয়াউর রহমানকে এখন আর রাষ্ট্রপতি হিসেবে গণ্য করা উচিত হবে না। একইসঙ্গে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় গিয়ে যে দল গঠন করেছেন, সেই দলকে অবৈধ বলে গণ্য করা উচিত।
‘মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে ২২ হাজার লোককে বন্দী করা হয়। এর মধ্যে ১১ হাজারের সাজা হয়। সে সময় গোলাম আযম পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। সে সময় যুদ্ধাপরাধীদের ভোটের অধিকার ছিল না। সেই গোলাম আযমকে জিয়াউর রহমান দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। আর খালেদা জিয়া তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব দেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।’
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুরু করে। ২০০৯ সালে এসে যুদ্ধপরাধীদের বিচার শুরু করে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করার পর অনেক মহল এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। কিন্তু কোনো মহলের ষড়যন্ত্রই সেই বিচারকাজ বন্ধ করতে পারবে না।

https://www.youtube.com/watch?v=3p3mYAlT_hY

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা