,

জাপানে দ্রুতগতিতে বাড়ছে ‘মৃত্যু’ ব্যবসা

news-image

জাপানিদের জনসংখ্যা এখন ক্রমে বুড়ো হচ্ছে। তরুণদের তুলনায় বুড়োদের সংখ্যাই বেশি দেশটিতে। আর বিপুল এ বয়স্ক মানুষদের মাঝে মৃত্যুর হারও বাড়ছে, পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু সংক্রান্ত নানা ব্যবসা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ব্লুমবার্গ।
জাপানে সম্প্রতি হয়ে গেল একটি মৃত্যু বিষয়ক প্রদর্শনী। এতে কফিন নিয়ে এসেছে বহু প্রতিষ্ঠান। এ ধরনের একটি প্রতিষ্ঠানে কফিনগুলো পর্যবেক্ষণ করছিলেন আকিরা ওকোমতো। একটি কফিনে শুয়ে তিনি বলেন, বলেন, ‘এটা খুবই আরামদায়ক।’ তিনি তার ২৭ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে গিয়েছিলেন এ প্রদর্শনীতে। এখানে তিনি নানা ধরনের কফিন থেকে নিজের জন্য একটি কফিন নির্বাচন করেন। মৃত্যুর পর তিনি এ কফিনটিতেই সমাহিত হতে চান।
জাপানে তিন দিনের এক মৃত্যু প্রদর্শনীটি হয়ে গেল ডিসেম্বরের শুরুতে। এতে ২২০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। আর এতে এসেছেন ২২ হাজার দর্শনার্থী। এ প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে নানা ধরনের কফিন, সমাধিপ্রস্তর, শবযান ও মৃত্যুর পর অবশিষ্টাংশ আকাশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা। এছাড়া প্রফেশনাল কফিন প্রস্তুতকারকরা তাদের নানা দক্ষতা প্রদর্শন করেন এ প্রদর্শনীতে। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর তাদের দেহ নিয়ে কী করা হবে, এ বিষয়ে নানা আইডিয়া প্রদর্শন করা হচ্ছে প্রদর্শনীতে।


বাজার গবেষণা সংস্থা ইয়ানো রিসার্চ জানিয়েছে, ২০১১ সালের তুলনায় বর্তমানে জাপানের মৃত্যু ইন্ডাস্ট্রি সাত শতাংশ বেড়েছে। সে সময় এর মূল্য ছিল ১.৮৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন। মৃত্যু পরবর্তী এন্ডিং নোটের ব্যবসা আরেকটি উদীয়মান শিল্প। স্টেশনারি পণ্য নির্মাতা কোকুয়ো ২০১০ সালের পর বিক্রি করেছে আধ মিলিয়ন ইয়েন মূল্যের এন্ডিং নোটস নোটবুক। শুধু বুড়োরাই নয়, তরুণ ও যুবকরাও এসব জিনিস কিনছেন বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র হিরোমি ওয়াকি। তিনি জানান, ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সীরাও এসব কিনছেন। এতে তারা তাদের মৃত্যুপরবর্তী সময়ে নানা ইচ্ছা-অনিচ্ছা নোট করে রাখতে পারছেন।


আগে এসব মৃত্যুপরবর্তী বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিকভাবে কাজ করবে কি না, তা নিয়ে মানুষের বিশ্বাস ছিল না। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর নিপুণভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা জাপানিদের এক্ষেত্রে আগ্রহী করে তুলেছে। বিশেষ করে গত পাঁচ বছরের কাজের ফলাফল দেখে জাপানিরা এ শিল্পকে আগের তুলনায় অনেক বিশ্বাস করতে পারছেন।
মৃত্যুপরবর্তী নানা কাজের জন্য আত্মীয়-স্বজনকে বিরক্ত করার প্রবণতা দূর করতেও এসব সেবার দ্বারস্থ হচ্ছেন জাপানিরা। তারা অন্যদের বিরক্ত না করে সবাইকে যেন শান্তিতে রেখেই নিশ্চিন্তে মারা যেতে পারেন, এটাও তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ