,

মজাটা কোথায় ফেসবুকের!

news-image

প্রযুক্তি ডেস্ক : অনেকে ফেসবুক বন্ধ করে আর কখনো তা চালু করবেন না বলে পণ করে বসেন। কিন্তু সপ্তাহ না ঘুরতেই আবার ফেসবুকে তাঁর স্ট্যাটাস দেখা যায়। এমন মানুষের সংখ্যা একেবারে কম নয়। এই পিছুটান নিয়ে সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালিয়েছেন মার্কিন গবেষকেরা। যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা ফেসবুকে বারবার ফিরে আসার পেছনে চারটি মূল কারণ খুঁজে পেয়েছেন।

এই গবেষণা-বিষয়ক নিবন্ধ ‘সোশ্যাল মিডিয়া প্লাস সোসাইটি’ শীর্ষক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকদের মতে, প্রথম কারণটি হচ্ছে আসক্তি। যাঁদের কাছে ফেসবুক আসক্তি বা অভ্যাস হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে, তাঁরা বারবার এই সাইটটিতে ফিরে আসেন।

প্রধান গবেষক এরিক বমার বলেন, ‘গবেষণায় অংশগ্রহণকারী এক ব্যক্তির তাঁকে বলেছেন, ফেসবুক ছেড়ে দেওয়ার প্রথম ১০ দিনের মধ্যে আমি যখনই ব্রাউজার খুলে ইন্টারনেটে যাই, তখনই আঙুল আপনা-আপনি এফ অক্ষরটিতে চাপ দিয়ে ফেলে।’

গবেষকেদের মতে, ফেসবুকে বারবার ফিরে আসার দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে, প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নজরদারি। যাঁরা মনে করেন তাঁদের ফেসবুক নজরদারি করা হচ্ছে, তাঁরা আর ফেসবুকে ফিরে আসতে উৎসাহী হন না। অনেকেই ফেসবুকে তাঁদের নিয়ে কী আলোচনা চলছে, তা জানার আগ্রহ থেকে বারবার ফিরে আসেন।

ফেসবুকে ফিরে আসার তৃতীয় কারণটি হচ্ছে, সাবজেকটিভ মুড বা কোনো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি হওয়া মেজাজ। গবেষক এরিক বলেন, ভালো মেজাজে আছেন? আপনি ফেসবুক থেকে দূরে থাকার প্রতিজ্ঞা রাখতে পারবেন না।

গবেষকেরা ফেসবুকে ফিরে আসার আরেকটি কারণ হিসেবে অন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট না থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। যাঁদের টুইটার অ্যাকাউন্ট আছে, তাঁরা ফেসবুকে ফিরে আসতে চান না। যাঁরা সামাজিক জীবনে প্রযুক্তিতে নিজের সঠিক ভূমিকা তুলে ধরতে চান, তাঁরা চলে গেলেও বারবার ফিরে আসেন।

গবেষক এরিক বলেন, ‘ফেসবুক একবার বন্ধ করে আবার ফিরে এলেও ফেসবুক ব্যবহারের ধরনে কিছু পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন অনেকে ফোন থেকে ফেসবুক অ্যাপ সরিয়ে ফেলেন, কেউ বন্ধুর সংখ্যা কমিয়ে দেন কিংবা ফেসবুকে সময় কাটানো কমিয়ে দেন।’

নেদারল্যান্ডসভিত্তিক ‘৯৯ ডেইজ অব ফ্রিডম’ নামের একটি প্রকল্প থেকে নেওয়া পাঁচ হাজারের বেশি জরিপ পর্যালোচনা করেছেন গবেষকেরা। ‘৯৯ ডেইজ অব ফ্রিডম’ নামের এই প্রকল্পটি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ৯৯ দিন বা তার চেয়ে বেশি সময় ফেসবুক ছাড়া থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানায়। গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা ৩৩,৬৬ ও ৯৯ দিন ফেসবুকহীন থাকা অবস্থায় তাঁদের মানসিক অবস্থার কথা জানান। এ তথ্যগুলোর নমুনা কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা বিশ্লেষণ করেন।

গবেষণা প্রসঙ্গে এরিক বাউমার বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কতোটা কঠিন তা এই ফল দেখেই বোঝা যায়।’ তথ্যসূত্র: আইএএনএস।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা