,

প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবন্ধীরা ঝুঁকিতে থাকে বেশি

news-image

সরকারি হিসাবে বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী মানুষের সংখ্যা ১৮ লাখের মত। বলা হয় বিভিন্ন দুর্যোগের সময় প্রতিবন্ধীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখোমুখি হন। তাই প্রতিবন্ধীদের ঝুঁকি কিভাবে কমানো যায় সে নিয়ে ঢাকায় আজ শনিবার শুরু হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় যেখানে মাঝে মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়। সেখানে প্রতিবন্ধীদের পড়তে হয় নানান সংকটে।

এসব বিষয়ে বিবিসি বাংলার সাথে কথা বলেন পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামের প্রতিবন্ধী বাসিন্ধা শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, যখন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দেখা দেয় আমরা আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে পারিনা। আমি বা আমারমত যারা প্রতিবন্ধী আছে দুর্যোগের ভিতরে আমাদের ভাঙ্গা খড়ের ঘরেই কাটাতে হয়।
সিডর বা আইলারমত ঘটনায় কী ধরনের অভিজ্ঞতা হয়েছে এ প্রসঙ্গে শহিদুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগের সময় যখন আভাস পাই তখন আমরা যারা প্রতিবন্ধী আছি এদের জন্য যারা একটু সচ্ছল প্রতিবন্ধী আছে, যারা একটু চলাফেরা করতে পারে তারা সহযোগিতা করে। এই সময় কোথায় কোথায় গুরুতর প্রতিবন্ধী আছে তাদের কে আমরা অন্যের সহযোগিতায় আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যেতে বলি। যাদের আশ্রয় কেন্দ্র অনেক দূরে যেতে অনেক সময় লাগবে তাদের সতর্ক বাণী শুনাই যে তোমরা শুকনা খাবার তৈরি রাখ, বিশুদ্ধ পানি মাটির ভিতরে পুতে রাখ।

সাধারণত উঁচু জায়গায় আশ্রয় কেন্দ্রগুলো তৈরি করা হয়েছে, যারা প্রতিবন্ধী তারা কিভাবে আশ্রয় কেন্দ্রে যান এর উত্তরে শহিদুল ইসলাম বলেন, অনেক আশ্রয় কেন্দ্রে র‌্যাম সিস্টেম নাই সেকারণে আমরা উঠতে পারি না। আমরা পর নির্ভরশীলতার মাধ্যমে সেখানে পৌঁছাতে পারি। ২০০৭ সালে সিডরের সময় আমি আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে পারি নাই। প্রবল ঝড়ের কারণে বাড়ি থেকে বের হতে পারি নাই। আমার ভাগ্য ভাল ছিল ঐ সময় প্লাবন হয় নাই। প্লাবন হলে 

ব্যক্তিগতভাবে আমি কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। আমাদের গ্রামে কোন লাইফ জ্যাকেট নাই। গ্রামে ড্রামেরমত ছোট পট আছে সেগুলো সাথে নিয়ে আমরা দুর্যোগের মোকাবেলা করার চেষ্টা করছি। একবারে হতভাগা অবস্থায় ছিলাম, আল্লাহ তুমি রাখতেও পার আবার নিয়েও যেতে পার এমন অনুভূতি ছিল।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় প্রতিবন্ধীদের বাঁচাতে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে এ প্রসঙ্গে শহিদুল ইসলাম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে দুর্যোগ বিষয়ে একটি কমিটি আছে সেই কমিটিকে যদি রাষ্ট্র জোরদার করে  যে কোন প্রকার দুর্যোগের যদি আভাস পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রত্যেকটা গ্রামে, প্রত্যেকটা বাড়িতে বাড়িতে সেবাটা পৌঁছে যায় সে ব্যবস্থা করবে। সেই সেবাটা হবে দুর্যোগ বিষয়ে সচেতন করবে, কোন সময়ে আঘাত হানতে পারে সেজন্য আপনারা আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যান। যারা প্রতিবন্ধী আছেন তাদের আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছে দেবার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ পরিবহনের ব্যবস্থা করবে।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ