বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ

news-image

জাপানি নারী হিরোয়ি মিয়াতার (৬১) লাশ গুমের কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। মামলার প্রধান আসামি জাকিরুল ইসলাম পাটোয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদেও মিলছে না কোনো তথ্য। তবে এটি হত্যা নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী সূত্র বলছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উত্তরা পূর্ব থানার পরিদর্শক আবু বকর মিয়া জানান, রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর জানা যাবে আসলে কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল।
রোববার মামলার প্রধান আসামি জাকিরুল ইসলাম পাটোয়ারীকে বেনাপোল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে জাকিরুলের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত শুনানি শেষে চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, গত ২৬ আগস্ট সহযোগীদের নিয়ে জাকিরুল জাপানি ওই নারীকে অপহরণ করেন। পরে তার ব্যবসায়িক সহযোগীর ছেলে ফখরুল ইসলামের সহযোগিতায় ওই নারীকে বসুন্ধরার আবাসিক এলাকায় নিয়ে যান। এর তিন দিন পর ২৯ আগস্ট কৌশলে হিরোয়ি মিয়াতাকে হত্যা করা হয়। রিমান্ড আবেদনে আরও বলা হয়, হত্যার পর আসামি জাকিরুল নিজের গাড়িতে করে মৃতদেহ উত্তরা এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে মারুফ হোসেনের গ্যারেজে মৃতদেহে কাফনের কাপড় পরান। পরে তিনি ওই জাপানি নারীকে নিজের নানী পরিচয় দিয়ে হালিমা খাতুন নামে দাফন করেন।
উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ জানায়, হিরোয়ি মিয়াতা উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরে ১৩/বি নম্বর সড়কের ৮ নম্বর হোল্ডিংয়ে সিটি হোমস নামে এক ডরমেটরিতে থাকতেন। ২৬ অক্টোবর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় জাপান দূতাবাসকে জানায়। ১৯ নভেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হিরোয়ি নিখোঁজ থাকার বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এরপর জিডির তদন্ত করতে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। তারপর পুলিশ বাদী হয়ে ২২ নভেম্বর একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসে জাকির পাটোয়ারী ওরফে রতনের। ঘটনার পরপরই তিনি পালিয়ে গেলেও পাঁচ আসামি মারুফুল ইসলাম, রাশেদুল হক বাপ্পী, ফখরুল ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর ও ডা. বিমল চন্দ্র শীলকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের রিমান্ডে এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে জাকিরের জড়িত থাকার তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। ২৬ নভেম্বর আদালতের অনুমতি নিয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সেখানে লাশের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনও হাতে পায়নি পুলিশ।
একটি সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পর ভারতে পালিয়ে যায় রতন। বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে ভারতের সিআইডিকে রতনের ভারতীয় মোবাইল নম্বর দেয় বাংলাদেশের পুলিশ। এরপর ভারতের সিআইডি তাকে গ্রেফতার করে বেনাপোল থেকে পুশব্যাক করে।
তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল দাবি করেছেন, রতনকে বেনাপোল সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি জানান, মামলা তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে। শিগগিরই এর রহস্য উদঘাটন হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা

নাহিদের দাবি মামলা করেই ফিরবেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত

গুলশান থেকে গ্রেপ্তার লতিফ সিদ্দিকী

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে