,

আলাদা চ্যালেঞ্জ আ.লীগ ও বিএনপি শিবিরের

news-image

পৌরসভা নির্বাচনের বাকি এক মাসেরও কম সময়। ইতিমধ্যে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তাদের নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ করতে শুরু করেছে।
আসন্ন এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিদ্রোহী প্রার্থী সামলানো। আর বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ সরকারকে দিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করিয়ে নেওয়া।
শতাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী আছে ক্ষমতাসীন দলের। তবে যেসব বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা না হলে স্থানীয় সমর্থকরা দুই বা তারও বেশি দলে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। এতে সমস্যায় পড়বে দলের মনোনীত প্রার্থীরা।
ক্ষমতাসীন দলের একটি সূত্র জানিয়েছে, কঠোর কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই স্থানীয় নেতারা যাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ায় সে জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করে রাজি করানোর চেষ্টা করছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
অপরদিকে বিরোধী শিবির বিএনপি উদ্বিগ্ন, তাদের প্রার্থীরা ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে অংশ নিতে পারবে কিনা তা নিয়ে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হলে বেশিরভাগ পৌরসভায় বিএনপি প্রার্থী জয়লাভ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি ফলাফল কী হবে। তবে জনগণ যদি ভোট দিতে পারে, তবে আমরা ৮০ ভাগ পৌরসভায় জয়ের ব্যাপারে আশাবাদি। অবশ্য যদি ভোটারদের ভোট প্রদান থেকে বিরত রাখা হয় তবে বিএনপি প্রার্থীরা নাও জয়লাভ করতে পারে।’
ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা যদি বিএনপি প্রার্থীদের ওপর নিপীড়ন চালায় অথবা নির্বাচনকালীন নির্বাচন কমিশনের বঞ্চনার শিকার হয় তবে তাদের প্রার্থীর জয় বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দলটির নেতারা।
সম্ভাব্য পরিকল্পনা হিসেবে বিদ্রোহীদের বিকল্প প্রার্থী হিসেবে রেখেছে বিএনপি। যদি বিএনপির শীর্ষ পছন্দকৃত প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নিতে অনুমোদন দেওয়া না হয়, তবে বিকল্প প্রার্থীরাই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে আসবে।
বিএনপির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছে, তবে নির্বাচন কমিশন বিএনপির প্রাথমিক প্রার্থীদের অনুমোদন দিলে ১৩ ডিসেম্বরের আগে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে হবে।
বিকল্প প্রার্থীর ক্ষেত্রে একই কৌশল অবলম্বন করছে আওয়ামী লীগও। তবে ১২০ জন বিদ্রোহী প্রার্থী মোকাবেলা করা দলটির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ যেখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা ৬০।
বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকাতে আওয়ামী লীগ সতর্কতা দিয়েছে, কেউ দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলে দল তাকে বহিষ্কারও হতে হবে।
নাম না প্রকাশ শর্তে দলটির এক প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, নির্বাচন কমিশন তাদের কার্যক্রম শেষ করার পর বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রার্থীতা প্রত্যাহারে রাজি করাতে কেন্দ্রীয় নেতারা জেলা পর্যায়ের নেতাদের সাথে যোগাযোগ শুরু করবেন। যদি তারা দলের শৃঙ্খলা অমান্য করে তবে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিষ্কার করা হবে।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু বিদ্রোহী প্রার্থীদেরও কিছু অনুসারী আছে তাই প্রথমে তাদের রাজি করানোর চেষ্টা করা হবে। তাদের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করা হবে। যদি তারা দলের নির্দেশনা না মানে তবে বিদ্রোহীদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।’
আওয়ামী লীগের নির্বাচনী নীতিমালা অনুসারে, দলীয় নির্দেশনা না মেনে কেউ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিলে কোনো প্রকার শো-কজ নোটিশ ছাড়াই যে কাউকে বহিষ্কার করা যাবে। যেহেতু আসন্ন নির্বাচন দলীয়ভিত্তিতে হচ্ছে তাই এক্ষেত্রে বিদ্রোহী প্রার্থীদের জন্য একই নীতি কার্যকর করা হবে বলে জানান দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যরা।
অপরদিকে বিদ্রোহী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে আশাবাদি বিএনপি। দলের যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘যতদূর আমি জানি দলে কোনো বিদ্রোহী নেই। তবে অনেক বিকল্প প্রার্থী আছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের তারিখ শেষ হওয়ার আগেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করবে।’
বিএনপি সূত্র জানায়, নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে দলটি বেশি উদ্বিগ্ন।
বিএনপি নেতারা বলেন, যদিও সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী কাজে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আছে, তবে অনেক স্থানেই তারা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে