শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থসহ কোরআন শরিফ পড়ার নিয়ম কী?

news-image

অর্থসহ কোরআন শরিফ পড়ার নিয়ম কী? প্রত্যেক আয়াত পড়ার পর অর্থ পড়তে হবে, নাকি দুই-তিন রুকু পড়ার পর অর্থ পড়া যাবে? আর কোরআন খতম করার নিয়ম কী?


অর্থসহ কোরআন পড়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে মূলত কোর‌আনকে উপলব্ধি করার জন্য। এটা বুঝতে হবে যে, আপনি কোরআনের আয়াত তেলাওয়াত করলেন, কিন্তু কিছুই বুঝলেন না; আবার অর্থটা পড়ে গেলেন, কিন্তু বুঝলেন না। যদি এমনটি হয়, তাহলে অর্থসহ পড়া অর্থহীন হবে। এটা অনর্থক হবে।


খেয়াল রাখতে হবে, খুব সূক্ষ্ম বিষয় রয়েছে এখানে। সেটা হলো এই, কোরআনে কারিমের যে তেলাওয়াত রয়েছে, সে তেলাওয়াতকে উপলব্ধি করার জন্যই মূলত কোরআনের অর্থ পড়া। এ জন্য কোরআনে কারিমকে বোঝার ক্ষেত্রে আল্লাহতায়ালা ‘বোঝা’ শব্দটি উল্লেখ করেননি, ‘উপলব্ধি’ শব্দটি উল্লেখ করেছেন। আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘তারা কি কোরআনকে উপলব্ধি করে না, নাকি তাদের অন্তরের অবস্থা এমন হয়েছে যে তাদের অন্তরকে তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা আর কোরআনকে উপলব্ধি করার চেষ্টা করবে না বা উপলব্ধি করতে পারবে না।’


তাই কোরআনকে উপলব্ধির বিষয়টি মূলত এমন—আপনি তেলাওয়াত করবেন, তার পর আপনি এর অর্থটা পড়ে যাবেন। আপনি একটি আয়াত তেলাওয়াত করলেন, তার পর এই আয়াতের মধ্যে আল্লাহু সুবহানাহুতায়ালা কী নির্দেশনা আমাদের জন্য দিয়েছেন, সে অর্থটা পড়লেন। তাহলে আপনি উপলব্ধি করতে পারলেন।


এখন আপনি যদি দুই রুকু-তিন রুকু পড়েন বা ১০/১২ আয়াত পড়েন, তার পর আপনি অর্থ পড়তে যান, তাহলে আপনি কোরআনের আয়াতও বুঝলেন না, এ আয়াতে কী বলা হয়েছে, সেটাও আপনি উপলব্ধি করতে পারলেন না। যেহেতু আপনি কোরআন তেলাওয়াতের সঙ্গে অর্থ মেলাতে পারেননি, সে জন্য এ ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা হয়ে যাবে। এ জন্য যারা কোরআন বোঝার জন্য চেষ্টা করে থাকেন, তাঁরা চেষ্টা করবেন যে শাব্দিক উপলব্ধির মাধ্যমে এবং সরাসরি কোরআনের আয়াত তেলাওয়াতের মাধ্যমে কোরআনের অর্থসহ পড়ার জন্য।


কিন্তু দ্বিতীয় মাসআলা হচ্ছে, কেউ যদি কোরআনে কারিমকে খতম করতে চান, তিনি কোরআনকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তেলাওয়াত করে যাবেন। খতম হচ্ছে কোরআনে কারিমের একটা বড় দাবি। এ বিষয়কে আমরা অনেকে ক্ষুদ্র বিষয় বলে মনে করলেও তা নয়।


সহিহ বুখারির মধ্যে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (র.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) যে বছর ইন্তেকাল করেন, সে বছর জীবরিল আমিনের সঙ্গে রাসূল (সা.) পুরা কোরআনকে দুবার খতম করেছেন।


সুতরাং খতম করার বিষয়টি রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে এবং এর গুরুত্বও সাব্যস্ত হয়েছে। ফলে দেখা গেছে, সালফেসসালেহিনগণ কোরআনে কারিমকে খতম করতেন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তেলাওয়াতের মাধ্যমে।


সুতরাং যদি কেউ কোরআন খতম করতে চান, তাহলে তার জন্য উত্তম হচ্ছে তিনি শুধু কোরআনকে সরাসরি তেলাওয়াত করে যাবেন। সেখানে কোনো অর্থ পড়বেন না। এটি হচ্ছে তেলাওয়াতের উত্তম পদ্ধতি।

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা