,

ছেলেটা আসলেই আমার স্ত্রী শারীরিক সম্পর্ক করে…

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : আমাদের সমাজে কত কিছুই না ঘটে যাচ্ছে। ভালো মন্দনিয়ে আমাদের সমাজ পরিচালিত হচ্ছে। কিছু ঘটনা আসলেই মর্মাহত হয়। পাঠক আসুন এমনি এক সত্য ঘটনা পড়া যাক। আমার স্ত্রী ২০১০ সালে একটা ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়, এই নিয়ে আমাদের মাঝে অনেক ঝগড়া হতো, তারপরও আমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক ছিল। এরপর ছেলেটার বিয়ে ঠিক হলে ওদের মধ্যে দুরত্ব তৈরি হয়, তখন অন্য একটা ছেলের সাথে ফেইসবুকে ওর পরিচয় হয়। ২০১১ সালের দিকে এসব জানতে পেরে ওর আগের প্রেমটা একেবারে ভেঙে যায়, আর আমার স্ত্রী আমাকে বলে যে এই ছেলেটার সাথে ওর শুধুই বন্ধুত্বের সম্পর্ক। পরে আমি জানতে পারি ওদের মাঝে শারীরিক সম্পর্ক আছে।

 


ছেলেটা বিদেশে থাকে আর দেশে এলেই মিলিত হয়। এইসব জানার পর আমি অনেক কষ্ট পাই, কারণ আমি ওকে অনেক বেশি বিশ্বাস করতাম। অন্য মেয়েদের ভালো লাগলেও ওর সাথে কখনো বিশ্বাস ভঙ্গ করিনি, ও ছাড়া কখনো কারো সাথে কোনো শারীরিক সম্পর্ক করিনি । এখন আমরা এক বাসায় থাকলেও আলাদা থাকি, আমি ডিভোর্স দিতে চেয়েও আমার দুইটা বাচ্চার কথা ভেবে দিতে চাচ্ছিনা, কিন্তু মানসিক অশান্তিতে ভুগছি। এখন কী করা উচিত কিছুই বুঝতে পারছিনা, প্লিজ আমাকে একটা সমাধান দিন। প্রশ্নটি করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন যুবক।

 


পরামর্শ: 
আপনাদের ব্যাপারটা আসলেই খুব দুঃখজনক। এত কিছুর পরও সংসার কীভাবে টিকে আছে, সেটা ভেবেই আমি অবাক হচ্ছি। সাথে এটাও বুঝতে পারছি না যে আপনার স্ত্রী এমন কেন করছেন। মানুষের একবার ভুল হয়েই যাচ্ছে। কিন্তু একই কাজ তিনি কেন বারবার করছেন, তাঁর কি সংসারের মায়া নেই? যদি তাঁর সংসারের মায়া না-ই থেকে থাকে, তাহলে তো তাঁর সাথে সংসার করার বৃথা। আপনার বাচ্চাদের বয়স কত লেখেন নি। এটা সত্যি যে মা বাবার ডিভোর্স বাচ্চাদের খুব কষ্টে ফেলে দেয় কিন্তু সাথে এটাও সত্যি যে মা বাবার পরকীয়া আর দাম্পত্য কলহও বাচ্চাদের সর্বনাশ করে দেয়। আমার মনে হয় ভাই আপনি একটা শেষ চেষ্টা করে দেখুন। স্ত্রীর সাথে একদম খোলামেলা কথা বলুন।

 


আপনি কী জানেন, কী জানেন না সব বিষয়ে। সেটা এটাও বলুন যে বাচ্চাদের কথা ভেবে আপনি ডিভোর্স নিতে চাইছেন না। আপনি চাইহেন দুজনে মিলেমিশে সংসার করতে। তিনি যদি সেটা পারেন ভালো, নাহলে আপনি ডিভোর্স দেবেন এবং স্ত্রীর কোন দায় নেবেন না। এরপর দেখুন স্ত্রী কী বলেন ও করেন। তিনি যদি তারপরও একই রকম কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকেন, তাহলে আর সম্পর্ক জোর করে সম্পর্ক রাখার কোন মানে নেই। তবে আপনি যেমন সন্তানদের ভালোবাসেন, তিনিও ভালোবেসে থাকলে তাঁর সুপথে ফেরার কথা। একটা ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে শেষ চেষ্টাটা অবশ্যই করবেন ভাই।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ