বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফাঁসির মঞ্চে তারা কোনো রিঅ্যাক্ট করেননি , এই বাজে কথা তোমাদেরকে কে বলেছে? প্রাণভিক্ষার বিষয়ে সাকা চৌধুরী

news-image

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর মৃত্যুদ- কার্যকরের সময় ফাঁসির মঞ্চে তারা কোনো রিঅ্যাক্ট করেননি বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবির ডেপুটি কমিশনার (ডিসি, নর্থ) শেখ নাজমুল আলম। শনিবার (২১ নভেম্বর) দিনগত রাতে তিনি এ কথা জানান।


শেখ নাজমুল আলম বলেন, পাশাপাশি একই সঙ্গে তাদের ফাঁসির মঞ্চে উঠানো হয়েছে। তারা কোনো রিঅ্যাক্ট করেননি। বিড়বিড় করে সুরা পড়তে পড়তে মঞ্চে উঠে যান এবং রায় কার্যকর করা হয়। এদিকে, রাত ১টা ৫০ মিনিটের দিকে জেল সুপুর জাহাঙ্গীর কবির সাংবাদিকদের বলেন, রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে একই সঙ্গে দু’জনের মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়েছে। অনেকেই বিভিন্ন সময়ের কথা বলছেন কিন্তু সময়টা হলো রাত ১২টা ৫৫।

এই বাজে কথা তোমাদেরকে কে বলেছে? প্রাণভিক্ষার বিষয়ে সাকা চৌধুরী
 কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করার পর বেরিয়ে এসে সাকা চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী সংক্ষুব্ধস্বরে বলেছেন, ‘আমার বাবা প্রাণ ভিক্ষা চাননি।’ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষ দেখা করার সময় সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনেছেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘সরকারতো কত কিছুই বানাবে, কত কাগজ তৈরি করবে।’ কারাগারের ভেতরে দেখা করে আসার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন সাকা চৌধুরীর বড় ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমি বাবাকে জিজ্ঞেস করেছি প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করেছেন কি না। জবাবে তিনি বলেছেন, ‘কে বলেছে এমন বাজে কথা।’ হুম্মাম আরও বলেন, ‘আমি যখন বাবাকে বলি সরকার বলছে এ কথা। উত্তরে তিনি বলেন, নির্বাচনে তাকে হারাতে না পেরে এখন তার প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে।’
এর আগে রাত সাড়ে নয়টার পরপরই কারাগারে শেষ দেখা করতে ঢোকে সাকা চৌধুরীর পরিবার। রাত পৌনে ১১টার দিকে তারা বের হয়ে আসেন। সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, দুই ছেলে হুম্মাম ও ফাইয়াজ কাদের চৌধুরীসহ মোট ১৮ ভেতরে প্রবেশ করেন।


ফরিদপুরের গ্রামের বাড়িতে মুজাহিদের দাফন


জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার সকাল ০৭টা ১৫ মিনিটে ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার মাওলানা আব্দুল আলী ট্রাস্ট প্রাঙ্গণে মুজাহিদকে দাফন করা হয়েছে। এর আগে সকাল ৬টা ৩৭ মিনিটে তার মরদেহ খাবাসপুর পৌঁছায়। জানাজা সম্পন্ন হয় ৬টা ৫০ মিনিটে। তবে জানাজার সময় আশপাশে দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত থাকলেও কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। mojahid 11পরিবারের সদস্যসহ স্বল্প সংখ্যক মানুষ এতে অংশ নেন। জানাজা পড়ান মুজাহিদের বড় ভাই আলী আফজাল মোহাম্মদ খালেছ। শনিবার দিনগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মুজাহিদকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়। ২টা ৫৩ মিনিটে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। মরদেহবাহী গাড়িবহর সাভার-মানিকগঞ্জ হয়ে পাটুরিয়া ঘাট দিয়ে নদী পেরিয়ে রাজবাড়ী হয়ে পশ্চিম খাবাসপুর গ্রামে পৌঁছায়। যাওয়ার পথে প্রতিটি জেলা ও থানার পুলিশ ওই গাড়িবহরকে রিসিভ করে জেলা সীমানা পার করে দেয়। ফরিদপুর পৌঁছানোর পর মুজাহিদের পরিবারের সদস্যদের কাছে তার মরদেহ হন্তান্তর করা হয়। পরে নামাজে জানাজা শেষে পশ্চিম খাবাসপুরের আইডিয়াল ক্যাডেট মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে দাফন সম্পন্ন হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪

বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৪১ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

আগারগাঁওয়ে শুরু হচ্ছে হজ-ওমরাহ মেলা

গ্যাস সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন তারেক রহমান

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে সরকার ও বিএনপিতে রদবদলের আলোচনা

গ্যাস সংকটে দুর্ভোগে রাজধানীবাসী, চুলা ও সিএনজি দুই-ই বিপাকে