মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ

news-image

প্রবাল অ্যান্থজোয়া শ্রেণীভুক্ত সামুদ্রিক প্রাণী। এরা কলোনি তৈরি করে বাস করে। প্রাণী হলেও জীবনের পূর্ণবয়স্ক অবস্থায় সাগরে কোনো দৃঢ় তলের উপর গেড়ে বসে জীবন পার করে দেয়। প্রতিটি প্রবাল পলিপ দেহের চারপাশে ক্যালসিয়াম কার্বনেট নিঃসরণের মাধ্যমে শক্ত পাথুরে খোলস তৈরি করে। একটা প্রবাল পলিপের মৃত্যুর পরেও খোলসটি রয়ে যায়। প্রবালের দেহাবশেষের ওপর নতুন করে আবার প্রবাল বসতে পারে। এভাবে একটা কলোনি বহু প্রজন্ম ধরে চলার ফলে বড়সড় পাথুরে আকৃতি ধারণ করে। তৈরি হয় প্রবাল দ্বীপ এবং প্রবাল প্রাচীর। এমন একটি প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রবাল প্রাচীর। দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৩০০ মাইল। আয়তন প্রায় ৩,৪৪,৪০০ বর্গকিলোমিটার। আয়তনের কারণে প্রবাল প্রাচীরটিকে মহাকাশ থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়। প্রায় ২৯০০ ছোট ছোট খণ্ডের সমন্বয়ে গঠিত এই বৃহৎ প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে কুইন্সল্যান্ডে অবস্থিত। জীববৈচিত্র্যে ভরা ছোট-বড় মিলিয়ে ৯০০টি দ্বীপ রয়েছে এ প্রবাল প্রাচীরটিতে।

ক্ষুদ্র জলজপ্রাণী থেকে শুরু করে বিশাল তিমি- সবই আছে এখানে। প্রায় ৩০ প্রজাতির তিমি, ডলফিন ও কাছিম এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া রয়েছে ৬ প্রজাতির সামুদ্রিক কাছিম, ২১৫ প্রজাতির পাখি এবং ১৭ প্রজাতির সামুদ্রিক সাপ। পৃথিবীর সমগ্র মৎস্যপ্রজাতির প্রায় ১০ ভাগ দ্বীপটিতে দেখা যায়। বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অন্যতম। অস্ট্রেলিয়ার পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও দ্বীপটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে। 

 

দীর্ঘ পাখার পাখি

 

পৃথিবীতে প্রায় ১০,০০০ প্রজাতির পাখি রয়েছে। অনেক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আবার অনেক প্রজাতি নতুন করে যোগ হয়েছে তালিকায়। নীল আকাশের কোলে ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো এসব পাখি দেখে সবারই ভালো লাগে। তবে ডানা থাকলেই সব পাখি উড়তে পারে না। যেমন উটপাখি। আবার পাখা থাকলেও সবার পাখা সমান হয় না। পৃথিবীতে সবচেয়ে দীর্ঘ পাখার পাখি হল ওয়ান্ডারিং এলবাট্রস। এরা দেখতে খুবই সুন্দর। দুটি পাখা প্রসারিত করলে দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় প্রায় ৩.৬ মিটার। bird

এই লম্বা পাখার সাহায্যে ওয়ান্ডারিং এলবাট্রস একটানা কয়েক ঘণ্টা পাখা না ঝাপটিয়ে আকাশে ভেসে থাকতে পারে। এরা সামুদ্রিক পাখি হওয়ার কারণে জীবনকালের বেশিরভাগ সময় সাগরে কাটালেও প্রজনন মৌসুমে ফিরে আসে উপকূলে। দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ, প্রিন্স এডওয়ার্ড দ্বীপ, ক্রোজেট দ্বীপ ও ম্যাকুয়েরি দ্বীপে এদের দেখা মেলে। প্রতি দুই বছরে স্ত্রী এলবাট্রস একটি মাত্র ডিম দেয়ার কারণে এদের বংশবৃদ্ধি অত্যন্ত ধীরগতির।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ভারতের রিয়্যালিটি শোতে বিশেষ অতিথি জয়া আহসান

হানিয়া-সাজালের সঙ্গে বন্ধুত্ব নেই : মাহিরা খান

হাসপাতালে রাম চরণ, অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন?

৪৫ দিন পর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা শুরু মঙ্গলবার

ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ পার্টির

কলকাতা উপ-হাইকমিশনে প্রথম সচিব হলেন উম্মে মারুফা

সঞ্চয়পত্রে ফিরেছে বিনিয়োগের ইতিবাচক ধারা

জামিননামা গ্রহণ, আজ মুক্তি পেতে পারেন কলিমউল্লাহ

অভিনয়ে অভিষেক হতে যাচ্ছে রোনালদোর

২ হাজার একর খাসজমি অবৈধভাবে দেওয়ায় ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত

কক্সবাজারে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুই বোনসহ নিহত ৩

গ্যাস সংকট কাটতে শুরু করবে আগামী সপ্তাহে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী