,

জাতীয় জাদুঘরে নভেরার আরও একটি ভাস্কর্য

news-image

অবশেষে জাতীয় জাদুঘরে স্থায়ী ঠিকানা হলো নভেরা আহমেদের আরও একটি ভাস্কর্যের। এ নিয়ে জাদুঘরের সংগ্রহশালায় নভেরার ভাস্কর্যের সংখ্যা বেড়ে ৪১-এ দাঁড়াল। ১৯৫৭ থেকে ৫৮ সালের যে কোনো এক সময় নির্মিত ভাস্কর্যটি নভেরার 'সিটেট ওমেন' বা 'উপবিষ্ট রমণী' সিরিজের কাজ। সিমেন্ট-কংক্রিটে গড়া। বড়োসড়ো গড়ন। বেইসসহ উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি বা ১৬৫ সেন্টিমিটার। নভেরা উপবিষ্ট নারী ফর্মটি নানাভাবে গড়েছেন। ১৯৬০ সালের আগস্টে যে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে তার মোট ৭৫টি ভাস্কর্য স্থান পায়। কিন্তু ক্যাটালগে সব শিল্পকর্মের ছবি সংযুক্ত করা হয়নি। তবে এ পর্যায়ের একাধিক কাজ ছিল বলে জানা যায়। নামফলকে লেখা রয়েছে ভাস্কর্যটির নির্মাণ সাল ১৯৫৪-১৯৫৮। কিন্তু ১৯৫৪ সালে নভেরা বাংলাদেশে ছিলেন না। এর ফলে গবেষকরা ১৯৫৪ সালে ভাস্কর্যটি গড়া হয়েছে বলে মনে করছেন না। তারা মনে করেন এটি ১৯৫৭-৫৮ সালের দিকে গড়া।

 

এই ভাস্কর্য এতদিন সংগ্রহে ছিল বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) দিলকুশা কার্যালয়ের। গত অক্টোবরে নভেরা আহমেদের একক ভাস্কর্য প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল জাতীয় জাদুঘর। প্রদর্শনীর জন্য জাতীয় জাদুঘরকে এই ভাস্কর্যটিকে স্বউদ্যোগে ধার দেয় বিসিআইসি। তবে জাতীয় জাদুঘরের প্রবল ইচ্ছা ছিল এটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের। তাদের কথা রেখেছে বিসিআইসি কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট মহলের আন্তরিকতায় ভাস্কর্যটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের সুযোগ পেল জাতীয় জাদুঘর। গতকাল সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভাস্কর্যটি হস্তান্তর করা হয়েছে। বিসিআইসি প্রতিষ্ঠানটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে হওয়ায় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ভাস্কর্যটি সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের কাছে হস্তান্তর করেন।

 

ভাস্কর্যটি জাদুঘর পেলেও এখনই তা গ্যালারিতে স্থাপন করছে না। কয়েক দিনের মধ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ভাস্কর্যটি স্থায়ীভাবে স্থাপন করা হবে। আগামী কয়েক দিন সর্বসাধারণের জন্য ভাস্কর্যটি জাদুঘরের লবিতে প্রদর্শন করা হবে। জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজিত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের অন্যতম সদস্য ও বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাশেম খান, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল ও জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী।

 

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, "আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের পথিকৃৎ নভেরা আহমেদের ভাস্কর্যরীতিকে 'অ্যাবস্ট্র্যাক্ট এক্সপ্রেশনিজম' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তার ভাস্কর্যটি জাদুঘরের সংগ্রহকে সমৃদ্ধ করবে।" আসাদুজ্জামান নূর বলেন, 'আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের পথিকৃৎ নভেরা আহমেদ ভাস্কর্য শিল্পে নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন। তার একটি মূল্যবান ভাস্কর্য জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত হওয়ায় আমি আনন্দিত। শিল্পচর্চা ও গবেষণার ক্ষেত্রে এই ভাস্কর্যটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে।'

এ জাতীয় আরও খবর

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য

দুর্গোৎসব দেখতে ২০ অক্টোবর রংপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

কসবায় মহানগর প্রভাতী ট্রেনের যাত্রাবিরতি : কসবাবাসী উল্লাসিত