বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌপথে নাব্যতা সংকট

news-image

ফেরি চলছে ঠেকে ঠেকে 

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌপথে আবারও নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। শিমুলিয়া ঘাটের কাছে সংযোগ (অ্যাপ্রোচ) নৌপথ ও বেসিন এলাকা এবং মাগুরখণ্ড থেকে হাজারা চ্যানেল পর্যন্ত নাব্যতা সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। নৌপথে খননকাজ (ড্রেজিং) অব্যাহত থাকলেও ক্রমাগত পানি কমার কারণে নাব্যতা সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। ফলে ফেরি চলছে পদ্মার তলদেশ ঘেঁষে ঝুঁকি নিয়ে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডাব্লিউটিসি) মাওয়ার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. খালেদ নেওয়াজ জানিয়েছেন, শিমুলিয়া ঘাট এলাকার অদূরে বেসিন এলাকা ও সংযোগ নৌপথে পানিস্বল্পতার কারণে ফেরিগুলো ঘাটে ভিড়তে গিয়ে নদীর তলদেশে ঠেকে যাচ্ছে। তা ছাড়া মাগুরখণ্ড থেকে হাজারা চ্যানেল পর্যন্ত প্রায় তিন শ মিটার এলাকাজুড়ে নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরি চলছে ঠেকে ঠেকে। এতে ফেরির প্রপেলারসহ ইঞ্জিনের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। খালেদ নেওয়াজ আরো জানান, বিআইডাব্লিউটিএর দেওয়া পানির হিসাবের সঙ্গে কোনো মিল পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের দেওয়া পানির হিসাবে ফেরিগুলো নদীতে স্বচ্ছন্দে চলার কথা।

বিআইডাব্লিউটিসির মেরিন অফিসার এ কে এম শাহজাহান জানান, প্রতিদিনই ছয়-সাত সেন্টিমিটার করে পানি কমছে পদ্মা নদীতে। বেসিন ও সংযোগ এলাকায় মাত্র দুটি ড্রেজার কাজ করছে। ১২০ ফুট প্রশস্ত এই এলাকায় প্রথম ধাপের বা এক পাশে খননকাজের সময় অন্য পাশ দিয়ে ফেরি চলছে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে। কারণ পদ্মার পানি ক্রমাগত কমতে থাকায় এক পাশে খননকাজের সময় অন্য পাশে নাব্যতা সংকট আরো বেশি করে দেখা দিচ্ছে।

ফলে গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ১৬টি যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনসহ দুই শতাধিক যাত্রী নিয়ে ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন শিমুলিয়া ৩ নম্বর রো রো ঘাটের সামনে ডুবোচরে আটকা পড়ে। বিআইডাব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (ড্রেজিং) সুলতান আহমেদ খান বলেন, 'জুলাই মাস থেকে এ সময় পর্যন্ত (শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি) নৌপথের পদ্মায় প্রায় ১০ ফুট পানি কমেছে। আমরা পানি হ্রাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ড্রেজিং করে চলেছি। সাত-আট দিনের মধ্যে শিমুলিয়া ঘাটের বেসিন এলাকায় ড্রেজিং শেষ হবে।' আর চলতি মাসের মধ্যে সংযোগ এলাকার নৌপথের খননকাজ শেষ হবে বলে তিনি দাবি করেন। কাজের ধীরগতির কথা অস্বীকার করে সুলতান আহমেদ বলেন, 'ড্রেজিং মেশিনের সমস্যা হলে তা মেরামতে একটু সময় লাগতেই পারে। তা ছাড়া এক পাশ দিয়ে ফেরি সচল রেখে কাজ করায় ড্রেজিংয়ে কিছুটা দেরি হতেই পারে। শিগগিরই নাব্যতা সংকট দূর হয়ে যাবে। বর্তমানে নৌপথে সাতটি ড্রেজার দিয়ে পলি অপসারণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে বেসিন এলাকায় দুটি, লৌহজং টার্নিংয়ে তিনটি ও মাগুরখণ্ড পয়েন্টে দুটি ড্রেজার দিয়ে পলি অপসারণের কাজ পুরোদমে চলছে।'

 

 

এ জাতীয় আরও খবর

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪

বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৪১ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

আগারগাঁওয়ে শুরু হচ্ছে হজ-ওমরাহ মেলা

গ্যাস সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন তারেক রহমান

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে সরকার ও বিএনপিতে রদবদলের আলোচনা

গ্যাস সংকটে দুর্ভোগে রাজধানীবাসী, চুলা ও সিএনজি দুই-ই বিপাকে