বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাসার তথ্যে, প্রাণ ছিল মঙ্গলে!

news-image

মঙ্গলে কি সত্যিই প্রাণ ছিল এক সময়? সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণের পর সেরকমটাই মনে করছে নাসা। পৃথিবীর এই প্রতিবেশী গ্রহের বায়ুমণ্ডল ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বর্তমানে মঙ্গলের এই অত্যধিক শীতল পরিবেশ বরাবর ছিল না। এক সময় প্রাণ থাকার যোগ্য উষ্ণ আবহাওয়া ছিল লাল গ্রহে। যার থেকেই মঙ্গলে একসময় প্রাণ ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। 

কিন্তু কেন বদলে গেল মঙ্গলের আবহাওয়া?
আমাদের প্রতিবেশী গ্রহে প্রাণ বিলুপ্তির জন্য পৃথিবীতে প্রাণের মূল উত্‍স্য সূর্যকেই দায়ী করেছেন বিজ্ঞানীরা। সৌরঝড়েই লাল গ্রহ থেকে মুছে গিয়েছে প্রাণের অস্তিত্ব। মঙ্গল গ্রহ থেকে প্রাণের বিলুপ্তিতে সূর্যের প্রভাব খতিয়ে দেখতে নাসার প্রথম মিশন থেকে পাওয়া তথ্য জানাচ্ছে যে সৌরঝড় মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে প্রাণের উপযোগী বিভিন্ন গ্যাস ধীরে ধীরে সরিয়ে দিচ্ছে। ক্রমেই আরও হালকা হয়ে যাচ্ছে মঙ্গলের বায়ুস্তর।


বায়ুস্তর হালকা হয়ে যাওয়ায় ক্রমশ শীতল থেকে শীতলতর হয়ে যাচ্ছে লালগ্রহ। MAVEN-এর হিসেবমতো প্রতি সেকেন্ডে ১০০ গ্রাম করে গ্যাস মুছে যাচ্ছে মঙ্গলের বায়ুস্তর থেকে। কয়েক বিলিয়ন বছর আগে, যখন সূর্যকিরণের জোর আরও বেশি, ছিল তখন এই গ্যাস হারানোর পরিমাণও বেশি ছিল বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। কয়েক বিলিয়ন বছর আগে, মঙ্গলের বায়ুস্তর শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার উপযোগী ছিল এবং এখানে জল ছিল বলেও প্রমাণ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাই লাল গ্রহে যে এক সময় প্রাণ ছিল, সে বিষয়ে মোটামুটি নিশ্চিত হয়েছেন তাঁরা।
ক্রমাগত সৌরঝড় ধীরে ধীরে লাল গ্রহ থেকে সেই প্রাণ মুছে দিয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল

চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা কারাগারে

ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪

বিশেষ অভিযানে ১ লাখ ৪১ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

আগারগাঁওয়ে শুরু হচ্ছে হজ-ওমরাহ মেলা

গ্যাস সংকট সমাধানে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইলেন তারেক রহমান

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে সরকার ও বিএনপিতে রদবদলের আলোচনা

গ্যাস সংকটে দুর্ভোগে রাজধানীবাসী, চুলা ও সিএনজি দুই-ই বিপাকে