শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অন্যের বিরক্তির কারণ হয় যে ৫ ধরনের হাসি

news-image

চারদিকে মানুষের হাসিমুখ দেখতে সবারই ভালো লাগে। তা ছাড়া আপনার মুখের হাসিও পরিবেশটা বদলে দিতে পারে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু পরিস্থিতিতে মানুষের মুখের হাসিও অন্যের বিরক্তির কারণ হতে পারে। কাজেই নিচের ৫টি উদ্দেশ্য নিয়ে হাসি না দেওয়াই ভালো।

১. পেশাদার মিটিং : একদল পেশাদার যখন গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়ে আলোচনা করছেন, তখন সেখানে হাসি মনোযোগ কেড়ে নেয়। তাই বলে একেবারেই যে হাসা যাবে না তা নয়। তবে ঘন ঘন মুখের হাসিতে অন্যের বিরক্তি আসতে পারে।

২. কৃত্রিম হাসি : আন্তরিক হাসি ও কৃত্রিম হাসির মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। মেকি হাসির কৃত্রিমতা চেহারায় স্পষ্ট ফুটে ওঠে। কেউ হাসি দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করতে চাইলেন, তিনি সত্যিকার অর্থে খুশি নন। এমন অবস্থায় মুখের হাসি অনেকে ভালো দৃষ্টিতে নেবেন না। এটা বরং অন্যের স্ট্রেসের কারণ হতে পারে।

৩. যখন সঙ্গী-সঙ্গিনীর মন খারাপ : হাসি অনেক সময় অসহায়ের শক্তি জোগাতে পারে। তবে তা পরিবেশ ও পরিস্থিতি বুঝে প্রয়োগ করতে হবে। কিন্তু সঙ্গী-সঙ্গিনীর মন খারাপের সময় যখন অযথা বেশি বেশি হাসি দেওয়ার চেষ্টা করবেন, তখন তার মন খারাপ হয়ে যাবে।

৪. রাগী অথবা দুর্বল হাসি : অনেক সময় হাসি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকে না। অনেকে আছেন, যারা কোনো অর্থ ছাড়াই বোকার মতো হাসি দেন। এ ধরনের হাসি বিরক্তিকর। আবার রাগ করে হাসি দিলে তা বিদঘুটে দেখায়। এসব হাসির কোনো ইতিবাচক প্রভাব নেই।

৫. অন্যকে স্রেফ খুশি করতে : অন্যের সমর্থন পেতে বা তুষ্ট করতে ঘন ঘন মেকি হাসি দুর্বল ব্যক্তিত্বের লক্ষণ প্রকাশ করে। এ ধরনের হাসি কাউকেই খুশি করতে পারে না। 

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ