,

জিম্বাবুয়ের সবচেয়ে বড় হাতিটি শিকারে আনন্দ এবং শোক

news-image

এক জার্মান শিকারিকে প্রায় ৪০ হাজার ইউরো পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে জিম্বাবুয়ের সবচেয়ে বড় হাতি শিকারের জন্যে। কাজটি সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন তিনি। কিন্তু ওদিকে প্রাণীপ্রেমিক এবং সাফারি গাইডরা শোক প্রকাশ করছেন এই বিস্ময়কর প্রাণীটি হত্যার জন্যে। এখানে জেনে নিন সেই গল্প।

একটি ছবিতে দেখা যায়, এক বীরোচিত শিকারি দাঁড়িয়ে আছেন, পাশে বসে তার গাইড। পেছনে ধরাশায়ী হাতি সাম্রাজ্যের সবচেয়ে বিশালাকার হাতিটি। দুনিয়াজুড়ে বিতর্ক সৃষ্টির জন্যে এ ছবিটিই যথেষ্ট। আফ্রিকার এই রাজসিক প্রাণীটিকে হত্যার ঘটনা ছাড়া ছবিটি আর কিছুই প্রকাশ করছে না বলে দাবি সবার।

এর আগে 'সিসিল দ্য লায়ন' নামের বিখ্যাত সিংহটিকে মারার  তিন মাস পর তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। সম্প্রতি যে হাতিটি শিকার করা হয়েছে, তার মতো বিশালাকৃতি প্রাণী জিম্বাবুয়েতে দেখা যায়নি।


জিম্বাবুয়ের সবচেয়ে বড় হাতিটি শিকারে আনন্দ এবং শোক

হাতিটির পরিচয় বের করা নিয়ে বেশ রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, এর বয়স ছিল ৪০-৬০ বছর। জিম্বাবুয়ের দক্ষিণের গোনারিজহু ন্যাশনাল পার্কে ছিল হাতিটি। একটা সময় পর থেকে একে আর কখনোই দেখা যায়নি। একে ধরাশায়ী করার পর পরই যে ছবিটি তোলা হয়েছে, তাতেই  বোঝা গেছে হাতিটির হারিয়ে যাওয়ার কারণ। এর ১২০ পাউন্ড ওজনের একটি দাঁতই বলে দেয় তার বিশালতার কথা।elephant_tusk_nkom

অক্টোবরের ৮ তারিখে গোনারিজহু পার্কে এক প্রাইভেট হান্টিং মৌসুমে হাতিটিকে মারা হয়েছে। এ কাজটি করতে শিকারিকে দেওয়া হয়েছে ৬০ হাজার ডলার। জার্মানির এই শিকারি তার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। জানিয়েছেন, ২১ দিন শিকারের অনুমতিপত্র নিয়েই তিনি শিকারে নেমেছিলেন। তার শিকারের তালিকায় ছিল সবচেয়ে বড় আকারের ৫টি হাতি, চিতা বাঘ, সিংহ, মোষ এবং গণ্ডার।

এই হাতি শিকারের ঘটনায় বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন শিকার দল আনন্দ উদযাপন করেছে। বলা হয়েছে, বিগত ৩০ বছরে এত বিশাল হাতি গোটা আফ্রিকায় আর দেখা যায়নি।

ওই ন্যাশনাল পার্কের ফটোগ্রাফিক সাফারি কর্মকর্তা অ্যান্টনি কাসচুলা শিকারের পরের ছবিটি ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, অবৈধ প্রাণী শিকারের ওপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। কিন্তু বৈধ শিকারের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে যে প্রাণীগুলো আমাদের সম্পদ, এদের শিকার বন্ধে আমরা এখনো ব্যর্থ।

এর আগে হাওয়ানজি ন্যাশনাল পার্কে সিসিল সিংহটিকে শিকার করেন আমেরিকান শিকারি ওয়ালটার পালমার। একে মারা হয় তীর-ধনুক দিয়ে।

একটি সূত্র জানায়, হাতিটির নাম ছিল নকম্বো। শেষবার অক্টোবরের ৩ তারিখে একে শেষবারের মতো দেখেছিলেন স্থানীয়রা।

এই শিকারের আয়োজক নিজের নামটি গোপন রেখেছেন। দাবি করেন, এটা একটা বৈধ শিকার। একে দোষের কিছু নেই। হাতিটির যথেষ্ট বয়স হয়েছে। তা ছাড়া এটি তার বংশধর রেখে গেছে। সূত্র : টেলিগ্রাফ

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা