,

সরাইলে মহাসড়ক ৩ ঘন্টা অবরোধ, যাত্রীদের দূর্ভোগ

news-image

স্টাফ রিপোর্টার সরাইল : পরিবহন শ্রমিকদের পূর্ব দ্বন্ধকে কেন্দ্র করে নতুন দূর্ঘটনা মারামারি ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইলের ফাহাদ ফিলিং-এর নিকটে একটি সিএনজি অটোরিক্সাকে যাত্রীবাহী একটি বাস চাপা দিলে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। এতে গুরুতর আহত হয় সিএনজি চালক শাহাজ্জত আলী (২১)। উত্তেজিত হয়ে কয়েকজন সিএনজি চালক দূর্বৃত্তদের সহায়তায় দিগন্ত পরিবহনের ৪টি বাস ভাংচুর করে ও ওই বাসের ৪ শ্রমিককে কূপিয়ে আহত করে। পরে বাস শ্রমিকরা বিচারের দাবীতে বিশ্বরোডের তিন দিকে মহাসড়কটি অবরোধ করে ফেলে। হাইওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত বুধবার বিকেলে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের সুহিলপুর বিসিকের সামনে তিন অটোরিকশা শ্রমিক মানিক, আলমগীর ও ইছহাক দিগন্ত পরিবহনের (স্থানীয় সড়কের বাস) শ্রমিক আনোয়ারকে মারধর করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে তারা মহাসড়ক বন্ধ করে দেয়। এক সময় দুইদিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বুধবার রাতেই আনোয়ার বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। গতকাল সকাল সাড়ে আটটার দিকে গ্যাস নেয়ার জন্য অটোরিকশা চালিয়ে ফাহাদ ফিলিং ষ্টেশনে যাচ্ছিল শাহাজ্জত। হঠাৎ ভৈরব থেকে ছেড়ে আসা দিগন্ত পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে দুমড়ে মুচড়ে যায় অটোরিকশাটি। আর চালক পাকশিমুলের তারা মিয়ার ছেলে শাহাজ্জত আলী গুরুতর আহত হয়। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর তার অটোরিকশাটি পুলিশ ফাঁড়িতে আটক আছে। এ ঘটনার পরই স্থানীয় কিছু অটোরিকশা চালক ও দূর্বৃত্তরা পরপর ৪টি লোকাল বাসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ সময় তারা বাসের শ্রমিক সোলমান মিয়া (৩৫) নবী হোসেন (৩০), মোজাম্মেল (৩৫) ও সাহাব উদ্দিন (৩২) কে কূপিয়ে গুরুতর আহত করে। তাদেরকে ও দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনার বিচারের দাবীতে সকাল ৯টায় বাসের বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা সড়কের মাঝখানে বাস রেখে মহাসড়ক অবরোধ করে ফেলে। ফলে ঢাকা-সিলেট, কুমিল্লা-সিলেট, সিলেট-ময়মনসিংহ ও চট্রগ্রাম-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পথচারী ও সাধারন যাত্রীরা পড়ে চরম দূর্ভোগে। অনেক রোগীর গাড়িও আটকে যেতে দেখা যায়। এক সময় বিশ্বরোডের দূরপাল্লার গাড়ির কাউন্টার গুলোতে দেখা যায় মানুষের উপচেপড়া ভীড়। মহাসড়কের তিন দিকে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। অটোরিকশা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বলছেন, ইচ্ছে করেই চালক শাহাজ্জত আলীর গাড়িটিকে চাপা দিয়েছে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে তারা মহাসড়ক বন্ধ করেছে। এ দিকে জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বলছেন, তারা উদ্যেশ্য প্রনোদিত ভাবে বাসের চার শ্রমিককে কূপিয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার না করলে আরো কঠিন কর্মসূচী দিব। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তাপস রঞ্জন ঘোষ, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আকুল চন্দ্র বিশ্বাস, সরাইল থানার মো. আলী আরশাদ, ট্রাফিক পরিদর্শক মো. বায়েজিদ ও র‌্যাব- ১৪ এর সদস্যরা। তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে বাস শ্রমিকরা তাদের অবরোধ প্রত্যাহার করেন। দুপুর ১২টার পর মহাসড়ক কিছুটা স্বাভাবিক হয়। সার্কেল এসপি তাপস রঞ্জন ঘোষ বলেন, গত বুধবারের ঘটনার নায়করাই আজকের ঘটনাটি ঘটিয়েছে। 

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা