সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লন্ডনের ব্যস্ত রাস্তায় স্বেচ্ছায় বিবস্ত্র হচ্ছে তরুণী! সতীত্ব না হারিয়েই মা হচ্ছেন তরুণীরা

news-image

লন্ডনের ব্যস্ত রাস্তায় একটা একটা করে নিজের জামাকাপড় খুলে ফেলছেন এক তরুণী। এই দৃশ্য তাজ্জব করেছিল পথচলা মানুষকে। ব্যাপারটা পরিস্কার হল কিছুক্ষণ পর। জনতার কাছে একটা আবেদন নিয়ে হাজির ওই তরুণী। তাঁর শরীরে ভালোবাসার প্রতীক এঁকে দিতে বলছেন। এই আবেদন তাঁদের প্রতিই, যাঁরা তাঁরই মত।

একটু খোলসা করে বলা যাক। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস জে ওয়েস্ট নামে এই তরুণীর। শারীরের ওজনও খানিক কম। কিন্তু, তাই বলে কোনাে স্বপ্নের নায়িকার মত হওয়ার কোনাে মোহ কাজ করে না জে-র মধ্যে। তিনি খুশি নিজেতেই। যেমনই হোক, নিজের শরীরটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে সুন্দর। তাঁর এই মতাদর্শে যাঁদের সমর্থন রয়েছে, তাঁদের প্রতি একটা আবেদন প্ল্যাকার্ডে লিখে বিবস্ত্র হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলেন জে। 'যাঁরা আমায় সমর্থন করেন, তাঁরা আমার শরীরে ভালোবাসার প্রতীক এঁকে দিন', প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল এরকমটাই। জে-র এই সাহসী পদক্ষেপের ভিডিও ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে।
নিজের শরীর, নিজের খুঁত, ত্রুটি নিজের যাবতীয় বিষয়কে সেলিব্রেট করা এবং অন্যদেরও এই কাজ করতে অনুপ্রাণিত করার ভাবনা এসেছিল জে-র মাথায়। এই ভাবনায় পুষ্টি জোগায় ২০১২ সালের সেন্টার ফর অ্যাপিয়ারেন্স রিসার্চের দেওয়া একটি পরিসংখ্যান। যেখানে বলা হয়েছিল, ৬০% প্রাপ্তবয়স্কই নিজের লুক নিয়ে লজ্জিত বোধ করেন।
এই পরিসংখ্যানের জন্য অবশ্যই দায়ী নিত্যদিন আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠা বিভিন্ন বিজ্ঞাপন। যেখানে সব সময় বলা হচ্ছে – এরকম চেহারা তৈরি করুন, এরকম ব্যক্তিত্ব তৈরি করুন, জিরো ফিগার করুন…ব্লা ব্লা ব্লা। এসবেরই চরম বিরোধী জে একটি সামাজিক গবেষণা চালাতে এই পদক্ষেপ করেছেন।
জে তাঁর ব্লগে লিখেছেন, আমান্দা পালমেরের TED Talk দেখে এভাবে নিজের পরিকল্পনা রূপায়ণের বিষয়টি তাঁর মাথায় আসে। ওই অনুষ্ঠানে পালমের জামাকাপড় খুলে তাঁর ভক্তদের বলেছিলেন, তাঁর শরীরে লিখতে। জে লিখেছেন, 'শুয়ে শুয়ে আমি যখন ভাবছিলাম, আমার সারা শরীর ঢাকা পড়েছে অন্যের আঁকা ভালোবাসার হৃদয়ে, তখন আমার চোখে পানি এসে গিয়েছিল।' এই ভিডিও প্রত্যেকটা মানুষের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করেন জে ওয়েস্ট।

 

সতীত্ব না হারিয়েই মা হচ্ছেন তরুণীরা

সতীত্ব না-খুইয়ে নারীরা এখন মা হচ্ছেন। এমনটাই দাবি ডাক্তারদের। শুধু ব্রিটেনেই এমন তরুণীর সংখ্যা ২৫। ডাক্তার বলছেন, বিষমকামী হওয়া সত্ত্বেও তারা কুমারী অবস্থাতেই আইভিএফ-এ মা হচ্ছেন বা ইতিমধ্যেই হয়েছেন। এদের এমনও কেউ কেউ রয়েছেন, যারা এখনও পর্যন্ত সেক্স করেননি। অর্থাৎ‍‌, সতীত্ব না-খুইয়েই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, যাকে বলে ভার্জিন বার্থ।
কেন এমন সিদ্ধান্ত? ওই কুমারী মায়েদের কেউ কেউ ডাক্তারকে জানিয়েছেন, পছন্দসই পাত্র খুঁজে না-পাওয়ার কারণেই বিয়ে না-করেই তাঁরা মা হয়েছেন। কেউ আবার শারীরিক জটিলতার কারণে বা সেক্স নিয়ে ভীতি কাজ করায়, বিয়ে বা সহবাস না-করেই আইভিএফ-এ মা হয়েছেন।image_273944.virgin-birth
ডাক্তারদের অভিজ্ঞতায়, অন্য মায়েদের তুলনায় এই একাকী মায়েরা কিন্তু অনেক বেশি আবেগপ্রবণ, সেইসঙ্গে আর্থিকভাবে সচ্ছল। National Gamete Donation Trust-এর চিফ এগজিকিউটিভ লরা উইটজেনের কথায়, 'সিঙ্গল ওমেন' বা কুমারী মায়ের কথা শুনলে, এখনও চারপাশের লোকজন বাঁকা চোখেই দেখে। কিন্তু, মহিলাদের কুমারী অবস্থায় মা হওয়ার অধিকার যে রয়েছে, এটা ভুললে চলবে না। আইভিএফ ক্লিনিকগুলোরও দায়িত্ব বর্তায়।   

এ জাতীয় আরও খবর

আমড়া খাওয়ার এই উপকারিতাগুলো জানতেন?

কাহানি থ্রি-তে বিদ্যা বালান নয়, মূল চরিত্রে ইয়ামি গৌতম

২০২৬-২৭ অর্থবছর: রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সরকার পর্যালোচনা করছে : আইনমন্ত্রী

যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ২০

কলকাতার ‘পাখি’ এবার ঢাকাই সিনেমার ‘চামেলি’

সৌদিতে এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেপ্তার

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

সাত মাসের মেয়েকে হত্যার মামলায় বাবার ৩ দিনের রিমান্ড

হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪৫৮

রেমিট্যান্সে বড় গতি, ২৫ দিনে এলো ২৮ হাজার কোটি টাকা