,

সকালে স্কুল শিশুদের মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির কারণ

news-image

সকালে ঘুম থেকে উঠে কোনাে রকমে মুখে কিছু দিয়ে স্কুলে দৌঁড়তে হয়। দেশের বেশিরভাগ শিশুদের সকালের ছবি এটাই। মা-বাবারা মনে করতে পারেন, সন্তানদের সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাসটা ছোট থেকেই তৈরি হওয়ায় বেশ ভালোই হচ্ছে। কিন্তু সেই ধারণা একেবারেই ভুল। গবেষণা থেকে জানা গেছে, তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খারাপ প্রভাব ফেলছে।

এই বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালাচ্ছেন ওক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর পল কেলি ও হার্বার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মার্কিন বিজ্ঞানী। কেলি জানান, ৮ থেকে ১০ বছরের শিশুদের স্কুল শুরুর সময় হওয়া উচিত সকাল ৮.৩০ বা আরও পরে। ১৬ বছরের ছাত্রদের ১০টা ও ১৮ বছরের ছাত্রদের সকাল ১১টা স্কুল শুরু হওয়া উচিত। এখনকার শিশুরা বেশি পরিমাণে ফোন ও আইপ্যাড ব্যবহার করে। সঠিক সময়ে ঘুমাতে চায় না। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে পরবর্তীকালে ডাইবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, অবসাদের মতো রোগ জন্ম নিতে পারে। দেশের অনেক স্কুলের শিক্ষকরা এই বিষয়টি সম্পর্কে জ্ঞাত হয়েও কিছু করতে পারেন না। তাঁদের বক্তব্য স্কুলের সময় পরিবর্তন করাটা কঠিন কাজ। এর বিরোধীতা করে অনেকে বলছেন, শিশু রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমালে সকালে উঠতে তাদের কোনাে সমস্যা না হওয়ারই কথা। সকাল সকাল স্কুল থাকলে বিকেলের দিকে অন্যান্য কাজ, খেলাধূলা করার সময় পাবে বাচ্চারা।
গবেষকদের মতে, ৩ থেকে ৫ বছরের বাচ্চাদের ঘুমের প্রয়োজন ১০-১৩ ঘণ্টা। ৬ থেকে ১৩ বছরের স্কুল ছাত্রদের ৯ থেকে ১১ ও ১৪ থেকে ১৭ বছরের শিশুদের ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা