বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিশ্চুপ কেন মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো ? (ভিডিও)

news-image

অভিবাসী সঙ্কট নামে জারি থাকা মানবিক সঙ্কট নিয়ে একেবারেই নিশ্চুপ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো; যদিও সঙ্কটে পতিত এইসব মানুষের বেশিরভাগই সিরিয়া-লিবিয়া-ইরাকের মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ। জর্দান-লেবাননের খ্রিস্টান সম্প্রদায় এই বিপন্ন মানবিকতার পাশে দাঁড়ালেও নিশ্চুপ বাদবাকী মধ্যপ্রাচ্য। কোন সহায়তার আশ্বাস নিয়ে এগিয়ে আসেনি উপসাগরীয় দেশগুলো।
গেলো কয়েক সপ্তাহে বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে এক মানবিক সঙ্কট; ইউরোপ যাকে অভিবাসী সমস্যা নামে ডাকছে। আদতে যুদ্ধবাজ বিশ্বব্যবস্থার নির্মম শিকার এইসব হতভাগ্য মানুষদের যে বিপন্নতা, তাকেই হাজির করা হয় অভিবাসী সঙ্কট আকারে। গত কয়েক সপ্তাহে কথিত এই শরণার্থী সঙ্কট স্তম্ভিত করে দিয়েছে সারা বিশ্বকে। তুরস্কের সমুদ্র সৈকতে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা সিরিয়ার তিন বছর বয়সী একটি শিশুর প্রাণহীন দেহের ছবি ইউরোপ অভিমুখে শরণার্থীদের স্রোত এবং তাদের সঙ্কটের চিত্র তুলে ধরেছে। ইউরোপের দেশগুলোতে প্রতিদিন শত শত শরাণার্থী প্রবেশ করছে। এ চিত্র দেখেও প্রতিবেশি ধনী আরব দেশগুলোর মন গলেনি।
যদিও গৃহযুদ্ধে উদ্বাস্তু হওয়া হাজারো সিরীয় শরণার্থীদের সহায়তা প্রদানে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো নিরব থাকলেও জর্দান এবং লেবাননের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় তাদের অবরুদ্ধ প্রতিবেশীদের সার্বিকভাবে সহায়তা করছে। আগেই গৃহযুদ্ধের কবলে পড়া এসব সিরীয় শরণার্থীদের আশ্রয়ের প্রশ্নে দরজা খুলে দেয় জর্দান ও লেবানন। দেশটির খ্রিষ্টান সম্প্রদায় এসব অসহায় উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে কাউন্সিলিং এবং দৈহিক অসুস্থতা নিরসনে সহায়তা করছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম এত বিপুলসংখ্যক মানুষ শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থ ইউরোপের দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, সিরিয়ার প্রতিবেশী ধনী আরব দেশগুলোর ভূমিকা নিয়েও।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক আকমল হোসেন বলেন, ‘সিরিয়ার লাখ লাখ মানুষ শরণার্থী হয়েছে। এসব শরণার্থীর সংস্কৃতির সঙ্গে আরব সংস্কৃতির মিল রয়েছে। তাদেরকে আশ্রয় দিতে আরব দেশগুলোর এগিয়ে আসা উচিত।’
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়, ছয়টি উপসাগরীয় আরব দেশ কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান ও বাহরাইন এখন পর্যন্ত সিরিয়ার কোনো শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়নি।
২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রায় ৪০ লাখ মানুষ দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে। অল্প সংখ্যক শরণার্থীকে গ্রহণ করার প্রস্তাব দেওয়া বা মুসলিম ও খ্রিস্টান শরণার্থীদের মধ্যে পার্থক্য করায় ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।
শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য সিরিয়ার প্রতিবেশী আরব দেশগুলোকে ঠিকঠাকভাবে চাপ দিতে না পারার বিষয়টিও এখন আলোচনায়। সৌদি আরবসহ পারস্য উপসাগরীয় ধনী দেশগুলোর এ বিষয়ে আরও বেশি ভূমিকা পালন করা উচিত ছিল বলে মনে করেন অনেকে।

https://www.youtube.com/watch?v=4UWnyhxh54I

 

 

এ জাতীয় আরও খবর

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা

নাহিদের দাবি মামলা করেই ফিরবেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত

গুলশান থেকে গ্রেপ্তার লতিফ সিদ্দিকী

৪৫ বছর পর প্রকাশ্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন

বাহুবলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করল তাহসিন

ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা শিক্ষকদের পাঠদানের অধিকার নেই: মাহফুজ আলম

সাবেক ডিআইজি ফারুকের বরখাস্তের আদেশ বাতিল