বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাদে চাষ হবে আমরাজ আম্রপালি

news-image

বটবৃক্ষের মতো আমগাছের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। বামন আকৃতির আমগাছ এসে গেছে আমাদের মাঝে। যা এখন শোভা পাচ্ছে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ গাছটি ছাদে, টবে বা অর্ধড্রামেও চাষ করা যায়। জানাই হলো না আমগাছের জাতটির নাম কী? হ্যাঁ, এ জাতটি হচ্ছে আম্রপালি। গাছ বামন আকৃতির ও ঝোপালো। ছোট হওয়া সত্ত্বেও অন্যান্য জাতের আমগাছের সমান বয়স ধরে বাঁচে। দেশের সব এলাকায় ও সব মাটিতে উপযোগী। এ জাতটি জমিতে মিশ্রভাবে আবাদ করা যায়। প্রথম বছরেই ফল দেয়। সব ধরনের মাটি দিয়েই আম্রপালি চাষ করা যায়। তবে অম্লীয়, উর্বর দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে ভালো। এটি চাষের জন্য ২০-৩০দিন আগে গর্তে/টবে/অর্ধড্রামে ৩০-৪০কেজি পচা গোবর, ৫০গ্রাম ইউরিয়া, টিএসপি ও এমপি ১০০গ্রাম করে এবং জিপসাম, বোরাক্স ও জিগ্ধক সালফেট ১০গ্রাম করে দিয়ে মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর প্রতি বছরে প্রতি গাছের জন্য ৪০কেজি গোবর সার, ইউরিয়া ৫০গ্রাম, টিএসপি ও এমপি ১০০গ্রাম এবং জিপসাম, বোরাক্স ও জিগ্ধক সালফেট ১০গ্রাম করে বৃদ্ধি হারে প্রয়োগ করতে হবে। সার প্রয়োগের পর সেচ দেয়া ভালো। গাছের গোড়া সবসময় আগাছামুক্ত রাখতে হবে। গাছ লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে খুঁটি বেঁধে দিতে হবে। কলমের গোড়ার নিচের অংশে কুশি বের হলে তা ভেঙে ফেলতে হবে। প্রয়োজনে জৈব-অজৈব বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। গাছের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মরা ও অপ্রয়োজনীয় অংশ কেটে ফেলতে হবে। আমগাছে আমের রস শোষক পোকা, ফল ছিদ্রকারী পোকা, কাণ্ডের মাজরা পোকা, ফলের মাছি পোকা ও গল পোকার উপদ্রব দেখা যায়। গাছের কচিপাতার ক্ষেত্রে পাতাকাটা ও পাতাখেকো পোকার উপদ্রব দেখা যায়। এসব পোকা দমনের জন্য সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের যে কোনো কীটনাশক (২ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে) স্প্রে করতে হবে। রোগের মধ্যে পাউডারি মিলডিউ, পাতায় মরিচাপড়া, অ্যানথ্রাকনোজ, পাতা পোড়া ও ম্যালফরমেশন দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে কপার ফাংগিসাইড/ছত্রকানাশক (২ মিলি গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে) স্প্রে করতে হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা