বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিলুপ্তির পথে ঝিনাইগাতীর ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প

news-image

বাজারে রকমারি প্লাস্টিক সামগ্রির দাপটে আজ বিলুপ্তির পথে গ্রামবংলার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প। ফলে দেশের অন্যান্য স্থানের ন্যায় ঝিনাইগাতীতে ও মৃৎশিল্পীরা এখন বেকার হয়ে পড়েছে। তাদের ঘরে চলছে হাহাকার। আশংকাজনকভাবে ব্যবহার কমে যাওয়ায় দ্রæত বদলে যাচ্ছে কুমারপাড়াগুলোর দৃশ্যপট। দুর্দিন নেমে এসেছে ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন কুমার পরিবারে। ওইসব পরিবারের সদস্যরা এখন দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন। তাদের তৈরী বাসন-কোসন প্লাস্টিকের তৈরি সামগ্রীর সাথে প্রতিযোগীতায় টিকতে না পারার কারণে। বাধ্যহয়েই অনেকেই বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে। ঝিনাইগাতীর চাপাঝোড়া ও বানিয়াপাড়ায় এ পেশার সাথে জড়িত রয়েছে অর্ধশতাধিক কুমার পরিবার। সরেজমিনে ওইসব কুমারপাড়ায় গিয়ে জানা যায়, কুমার-কুমারী ও তাদের পরিবার-পরিজনের কষ্টের করুন কাহিনী।

অর্ধাহার-অনাহারে এখন দিন কাটছে তাদের। শুধু যে তাই, তা কিন্তুু নয়, অনেকেই অভাবের তাড়নায় ছেলে-মেয়েদের পড়া-লেখা পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের অসচেতনতার চেয়ে চরম দারিদ্র্যই সবচে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরেজমিনে পরিদর্শনকালে ওইসব পাল পাড়ায় মাটির বিভিন্ন সামগ্রী তৈরির কাজে ব্যস্ত এক কুমারীর(গৃহবধূ)’র সাথে কথা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই গৃহবধূ এই প্রতিনিধিকে জানান, ‘এখন আর আগের মতো আমাগো কুমারপাড়ার আয়-রোজগার নেই। আগে আমরা চরকা দিয়ে বিভিন্ন রকম বাসন-কোসন ও খেলনা তৈরি করতাম।

কিন্তু এখন চরকা ব্যবহার করা হয় না। কারণ চরকা দিয়ে জিনিসপত্র তৈরি করে ভালো দাম পাওয়া যায় না। তাছাড়া এখন আমাদের মাটি ও কিনে আনতে হয়। তার পর দ্রব্যমূল্যে যে আগুন, তাতে চোখে এখন আর পথ দেখিনা। শুধু পেটে-ভাতে বাঁচতে পারলেই বাঁচি। যৎ সামান্য আয়ে সংসার টিকিয়ে রাখাই কঠিন। বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন যখন সামনে আসে তখন প্রার্থীদের নানান প্রতিশ্রæতির জোয়ারে ভাসে পুরো কুমারপাড়া। কুমার পাড়ার সচেতন মানুষদের দেয়া বিভিন্ন দাবি দাওয়া পূরণেরও আশ্বাস দেয়া হয়। কিন্তু নির্বাচন যায়- নির্বাচন আসে। প্রার্থীরা বিজয়ী ও হন। অথচ সেই আগের মতই অবহেলিত রয়ে যায় কুমার পাড়া। ওই পাড়ার বাসিন্দারা আর ও জানান, এ পেশাটি টিকিয়ে রাখার জন্য একাধিকবার সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু কোন ফল পাওয়া যায়নি। 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা