,

ফিরে ফিরে আসি

news-image

'শাবনূর গুণী অভিনয়শিল্পী। এ দেশের চলচ্চিত্রকে তিনি অনেক কিছুই দিয়েছেন। আরও অনেক দেওয়ার ছিল। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া-আসাকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্রে অনেকটাই অনিয়মিত হয়ে পড়েছে সে। বিষয়টা খুবই ভাবায়। শাবনূরের আরও বেশি সিরিয়াস হওয়া উচিত।' শাবনূরকে নিয়ে কথাগুলো বলেছিলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী মৌসুমী। মৌসুমীর কথায় সবাই একমত।

শাবনূর বলেন, 'চলচ্চিত্র আমাকে অনেক দিয়েছে। আমিও সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তাই পৃথিবীর অনেক দেশ ঘুরেছি, কিন্তু বাংলাদেশের মতো শান্তি কোথাও পাইনি। আজকে আমি যে শাবনূর হয়েছি, তা এ দেশের মানুষের ভালোবাসার জন্য। অষ্ট্রেলিয়ায় থাকলেও মনটা পড়ে থাকত বাংলাদেশে। তাই অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে থাকার ইচ্ছা হয়নি কখনও।' শাবনূর এখন দেশেই আছেন। হয়তো স্থায়ী হবেন। আর স্থায়ী হওয়ার আভাসটা তিনি দিলেন সম্প্রতি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে।
এক বা দুই মাস নয়, পুরো দুই বছর পর অভিনয়ে ফিরলেন শাবনূর। দীর্ঘ সময়ের বিরতি ভেঙে শনিবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান তিনি। বদিউল আলাম খোকনের পরিচালনায় দিনভর শুটিং করেন। ছবির নাম 'পাগল মানুষ'। সহশিল্পী শায়ের খানের সঙ্গে অংশ নেন এসআই টুটুল ও ন্যান্সির গাওয়া 'মেঘ ডাকলে ডাকুক' গানের দৃশ্যায়নে। শাবনূর বলেন, 'বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া যাওয়া-আসার কারণে কোনোভাবে সিডিউল মেলাতে পারছিলাম না। মাঝে অবশ্য দেশে ফিরে মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের 'কিছু আশা কিছু ভালোবাসা' ছবির কাজ করি। ছবির কাজ শেষে আবার সিডনি চলে যাই। এরপর বিয়ে ও সন্তানের কারণে আর শুটিং করতে চাইনি। এবার দেশে আসার পর মনে হলো, ছবিটির কাজ শেষ করে ফেলা উচিত। তাই সময় বের করে কাজটি শেষ করছি।'
শাবনূরের কথা শুনে মনে হচ্ছে এটাই তার অভিনীত শেষ ছবি হতে যাচ্ছে! হয়তো এরপর আর ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন না তিনি। প্রশ্নের উত্তরটা শাবনূরের কাছ থেকেই জানা যাক। 'ভক্তদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তারা সব সময় আমার সঙ্গেই ছিল, আমিও তাদের সঙ্গে থাকব। ভালো গল্প পেলে নিয়মিত কাজ করব।' শাবনূর বোঝাতে চাচ্ছেন, তিনি চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত আছেন। শুধু ধারাবাহিকতাটা নেই এই যা! শাবনূর জানালেন, কয়েকজন পরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে। নিজেকে ফিট করে কোরবানির পর আবার শুরু করবেন। সর্বশেষ ২০১৩ সালে মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের 'কিছু আশা কিছু ভালোবাসা' ছবিতে কাজ করেছিলেন শাবনূর।
অনেক দিন পর এফডিসিতে শুটিং করছেন শাবনূর। কেমন লাগছে এফডিসির পরিবেশ? জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'খুব খারাপ লাগছে। আমরা যখন কাজ করেছি, তখন পুরো এফডিসিতে উৎসবের আমেজ ছিল। এখন তো এফডিসিতে ঢুকলেই মনে হয়, কোথায় এলাম!' প্রায় দুই যুগ চলচ্চিত্রে কাজ করছেন শাবনূর। এহতেশামের 'চাঁদনী রাতে'র মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আগমন তার।
শাবনূর বলেন, 'চলচ্চিত্রে কাজের শুরুর দিকে এহতেশাম দাদু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা কিছুদিন ডাবিংয়ের জন্য অপেক্ষা করিয়ে রেখেছিলেন। প্রথম কয়েক দিন কিছু বলিনি। পরে একদিন বিরক্ত হয়ে দাদুকে বলেছিলাম, আর এখানে কাজ করতে পারব না। দিনের পর দিন শুধু ডাবিংয়ের জন্য বসা থাকা সম্ভব নয়। আমাকে দিয়ে হবে না। তখন দাদু বলেছিলেন, এখন থেকে চলচ্চিত্রই তোমার ঘরবাড়ি। তারপর আমার ছবি মুক্তির পর দাদু সবাইকে ডেকে নিয়ে বলছিলেন, এই দেখো, আমার প্রথম ছবির নায়িকা। এটা শোনার পর অনেক অনুপ্রাণিত হই এবং নিজের মধ্যে লালন করি_ চলচ্চিত্র আমার জীবনের সবকিছু। তাই যেখানেই থাকি না কেন, বারবার ফিরে আসি এখানে।'
ছবি মুক্তি পাক বা না পাক শাবনূর বরাবরই আলোচনায়। তবে কয়েক বছর ধরে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই নায়িকা যেভাবে আলোচনায় এসেছেন, ভক্তরা ঠিক সেভাবে তাকে চায়নি। যে কোনো চরিত্রের সঙ্গে মিশে যাওয়ার যে অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে, সেটাই দেখার অপেক্ষায় দর্শক। হ

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে