,

কোন খাদ্যগুলো কামোত্তেজনা বৃদ্ধিতে সহায়ক?

news-image

বহু কাল ধরে নারী-পুরুষ মিলিত হচ্ছে এবং বংশ বৃদ্ধি করে চলেছে। বহু কাল ধরেই আবার এই মিলনকে আরো আকাঙ্ক্ষিত করে তুলতে নানা গবেষণা চালাচ্ছে মানুষ। সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া সেন্টার ফর সেক্সুয়াল হেলথ-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. মিখাইল ক্রিচম্যান এসব কথা বলেন। যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে মানুষ আজ অবধি গবেষণা করে চলেছে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক সমাধান খুঁজতেই মানুষের আগ্রহ বেশি বলে মনে করেন তিনি। যৌনতাকে আরো বেশি আনন্দদায়ক এবং উপভোগ্য করতে প্রাকৃতিক খাবার এবং হার্বাল পণ্যকে বেশি কার্যকর বলেই মন্তব্য করেন এই গবেষক। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ধারণ পেতে ড. মিখাইল অসংখ্য গবেষণাপত্র এবং প্রকাশিত বই ঘেঁটেছেন। বিগত সময়ে সফলভাবে সম্পন্ন ৫০টি গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিভিন্ন খাবার, হার্বাল এবং বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত খাদ্যপণ্য নিয়ে নিজেই গবেষণা করেন। তার গবেষণায় বহু পুরনো ধারণা মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে।

মনে করা হতো, যৌন স্বাস্থ্যের জন্যে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান হলো জিঙ্ক, সেরোটনিন, ক্যাফেইন বা চকোলেটে থাকা ক্যানাবিনয়েডের মতো ফ্যাটি এসিড। কিন্তু ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় যৌনতার ক্ষেত্রে এগুলোর কোনো উপাকারিতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। অনেকেই মনে করেন, পালমেতোর মতো ক্ষুদ্র উদ্ভিদ, মিষ্টি আলু, এপিমেডিয়ামের মতো উদ্ভিদ ইত্যাদি কামোত্তেজনা বৃদ্ধি করে। পরীক্ষায় এর কোনো প্রমাণ মেলেনি।

তবে আগের সব গবেষণাই যে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে তা নয়। ড. মিখাইল জানান, মাটির নিচে উৎপন্ন মূল জাতীয় সবজি বা উদ্ভিদ, যেমন মাকা, জিনসেং, গিংগো বিলোবা উদ্ভিদ এবং ট্রিবুলাস টেরেস্ট্রিস ইত্যাদি যৌন সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূর করতে পারে।

ছোট ছোট কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের কামোত্তেজনা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত 'জেস্ট্রা' তেল বেশ কাজের। এটি মূলত প্রিমরোজ তেল এবং অ্যাঞ্জেলিকার মূলের নির্যাসের সঙ্গে আরো কিছু উদ্ভিজ্জ উপাদান ব্যবহার করে এটি প্রস্তুত করা হয়।

এমন বহু উপাদান রয়েছে যার ফলাফল ইতিবাচক পাওয়া গেছে। কিন্তু আমেরিকার ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সাবধান করেছে, তাদের তালিকায় নেই এমন উপাদান ব্যবহার স্বাস্থ্যহানির কারণ হতে পারে। তাই বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান থেকে এসব পণ্য সংগ্রহ করতেই পরামর্শ দিয়েছে এফডিএ। আবার এমন পণ্যও রয়েছে যা বাজারে বহুল ব্যবহৃত, কিন্তু মারাত্মক ক্ষতিকর। যেমন- রোডোডেনড্রন ফুল থেকে প্রস্তুতকৃত বিশেষ ধরনের মধু। এটি খেলে কামোত্তেজনা বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়। কিন্তু এটি খেয়ে যৌনকর্ম সময় বা এর পর হার্টঅ্যাটাকের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে যৌন সংক্রান্ত নানা সমস্যার চিকিৎসা মূলত পুরুষ-কেন্দ্রিক। পুরুষাঙ্গের উত্তেজনা বৃদ্ধিতেই মূলত ভায়াগ্রা বা সিয়ালিসের মতো ওষুধ প্রস্তুত হয়েছে। কিন্তু নারীদের সমস্যা দূরীকরণে তেমন ওষুধ নেই। তাই নারীদের কামোত্তেজনা বৃদ্ধিতে যদি কার্যকর ওষুধ প্রস্তুত করা হয়, তবে চিত্র অনেকটা বদলে যাবে বলেই মনে করেন ড. ক্রিচম্যান। সূত্র : ফক্স নিউজ

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে