,

পুকুরে বিলীন হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিডিবি’র কেন্দ্রীয় ভান্ডার

news-image

আমিরজাদা চৌধুরী: এক লাফে টপকে যাওয়ার মতোই ভাঙ্গন ছিলো শুরুতে। এখন এর বিস্তৃতি ব্যাপক। আর এই ভাঙ্গনের কারনে হুমকীর মুখে বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিতরণ বিভাগের কেন্দ্রীয় ভান্ডার। যে কোন সময় প্রায় দুইশো ফুট দীর্ঘ ভান্ডারের পশ্চিম পাশের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে পুকুরে বিলীন হয়ে যেতে পারে। যাতে অরক্ষিত হয়ে পড়বে ভান্ডারটি।

কর্মকর্তারা বলছেন তারা ভাঙ্গন মেরামতের বিষয়টি বার্ষিক প্লানে দিয়েছেন। সেটি ঢাকা থেকে অনুমোদন হয়ে এলেই কাজ হবে।

সরজমিন দেখা গেছে, ভান্ডারের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত বিশাল পুকুরের পূর্বপাড়ের  উত্তর দিকের একটি বড় অংশ ইতিমধ্যে ভেঙ্গে পড়েছে।

ভাঙ্গনের সীমানা ভান্ডারের দেয়াল পেড়িয়ে ভেতর পর্যন্ত চলে গেছে। ঐ স্থানে দেয়াল শূন্যে দাড়িয়ে আছে। পুকুরের এই পাড়ের এমাথা-ওমাথা পর্যন্ত দীর্ঘ ভান্ডারের দেয়াল। দেয়াল ঘেষে থাকা পূর্ব পাড়ের বেশীর ভাগ অংশই ভেঙ্গে পড়েছে।

বিদ্যুৎ কর্মচারীরা জানান-প্রথমে ভাঙ্গন সামান্যই ছিলো। আস্তেআস্তে ভাঙ্গন বৃদ্ধি পায়। এখন এই পাড় দিয়ে তাদের চলাচলও বন্ধ। কর্মচারীরা জানান- ভাঙ্গন শুরু হওয়ার পর মাটি ফেলে এই জায়গাটি ভরাট করে দিলে এই অবস্থার সৃষ্টি হতোনা। কিন্তু স্যারেরা কোন উদ্যোগ নেননি। 

ভান্ডার কীপার জাবেদ রহিম জানান- এক মাস আগে ভাঙ্গন শুরু হওয়ার পরই তিনি  লিখিত ও মৌখিক ভাবে বিষয়টি নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপ বিভাগীয় প্রকৌশলীকে অবহিত করেন। তাদেরকে সরজমিনে এনে ভাঙ্গনের অবস্থাও দেখান। তিনি বলেন- আমি তখন বলেছি এখনই ব্যবস্থা নেয়া না হলে পুরো দেয়ালটাই ভেঙ্গে পড়বে। এখনতো মাটি সরে পুকুরের সঙ্গে একাকার  হয়ে গেছে । শুনেছি কাজের বিষয়টি বার্ষিক প্রকল্প তালিকায় দেয়া হয়েছে। তবে কাজ কবে হবে তা উনারা (নির্বাহী প্রকৌশলীসহ অন্যান কর্মকর্তা) বলতে পারবেন।

এ ব্যাপারে উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমাদের বার্ষিক প্রোগ্রামে এই কাজের জন্যে অর্থের সংস্থান রাখা হয়েছে। ঢাকা থেকে এই প্রোগ্রাম অনুমোদন হয়ে এলেই কাজ শুরু করবো। আরো সপ্তাহ দু-য়েক সময় লাগবে এই কাজ শুরু হতে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হান্নান বলেন- আমরা ভাঙ্গন বালি ফেলে ভরাট করবো।

এদিকে শুধু পূর্ব পাড়ই নয় ভেঙ্গে পুকুরে বিলীন হচ্ছে উত্তর পাড়ও। এই পাড় সংলগ্ন শ্রমিক-কর্মচারীদের বাসস্থান। তাদের আবাসস্থলের সামনের মাঠের বেশ অংশ পুকুরে বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু এসব রক্ষনাবেক্ষনে এখানকার কর্তা  ব্যাক্তিদের খেয়াল নেই বলেই অভিযোগ কর্মচারীদের। ভাঙ্গন ঠেকাতে জরুরী কোন পদক্ষেপ নেননি তারা। আবাসিক এলাকা ছাড়াও পুকুরটির উত্তর-পূর্ব দিকে মসজিদ, আনসার ক্যাম্প, অভিযোগ কেন্দ্র, ভান্ডার রক্ষকের অফিস রয়েছে।

এখানকার বাসিন্দা ছাড়াও বাইরে থেকে নামাজ ও গোসলের প্রয়োজনে আসা মানুষজন বিতরণ বিভাগের বিশাল এলাকার মধ্যভাগে থাকা এই পুকুরের পানি ব্যবহার করেন। কিন্তু পুকুরে একটি ঘাটলার প্রয়োজন জরুরী ঠেকলেও তা কখনো ভাবনা চিন্তার মধ্যে নেননা এই অফিসের কর্তারা।  

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ