,

চীনে ড্রোন ও শক্তিশালী কম্পিউটার রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপ

news-image

বিশেষ ধরনের সব ড্রোন এবং শক্তিশালী কম্পিউটার রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে চীন। এসব পণ্য নির্মাতাদের যারা রপ্তানি করে থাকেন তাদের ‘জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না’ মর্মে নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। আগামী ১৫ আগস্ট থেকে রপ্তানির জন্য নির্মিত ড্রোন এবং কম্পিউটারের কারগরি বিবরণও প্রদান করতে হবে কর্তৃপক্ষের কাছে। কারিগরি এসব বিবরণ পর্যালোচনা সাপেক্ষে অনুমোদন প্রদান করবে কর্তৃপক্ষ। এবং তার পরই কেবল অনুমোদিত পণ্য রপ্তানি করতে পারবে কোম্পানিগুলো। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা জিনহুয়া সম্প্রতি এমনটিই জানিয়েছে। 
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং শুল্ক প্রশাসন থেকে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তাদের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১৫.৪২০ মিটারের চাইতে বেশি উচ্চতায় উড়তে সক্ষম যেকোনো ড্রোনের জন্যই রপ্তানির পূর্বে এমন অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। জিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই চীন থেকে এক লক্ষ ৬০ হাজার সিভিলিয়ান ড্রোন রপ্তানি করা হয়েছে। এই পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশি। আর টাকার অংকে এর পরিমাণ ১২০ মিলিয়ন ডলার। চীনের এই ড্রোন রপ্তানিতে নেতৃত্ব প্রদান করে যাচ্ছে ড্রোন নির্মাতা ডিজেআই। 
তাদের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হয়েছে তারা এই ধরনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার বাইরে থাকবে। ডিজেআই মূলত সিভিলিয়ান ড্রোন তৈরি করে থাকে যেগুলো ব্যক্তি পর্যায়ে এবং ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যই ব্যবহূত হয়ে থাকে। তাতে ধারণা করা হচ্ছে, সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের উপযোগী সব ড্রোনগুলোকেই নিয়ন্ত্রণের আওতায় নিয়ে আসতে চাচ্ছে চীন সরকার। এদিকে সপ্তাহ দুয়েক আগে কাশ্মীর সীমান্তে ভারতীয় একটি গোয়েন্দা ড্রোনের সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। এই ড্রোনটি চীনে তৈরি বলে বলা হচ্ছে। এই ঘটনাও ড্রোন রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপের সিদ্ধান্ত নিতে চীন সরকারকে উদ্বুদ্ধ করতে পারে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা। এদিকে গত কয়েক বছর ধরেই সুপারকম্পিউটারে চীনের আধিপত্য বজায় রাখাকে শক্তিশালী সব কম্পিউটার রপ্তানিতে চীন সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। একটা সময় পর্যন্ত সুপারকম্পিউটারে যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের আধিপত্য থাকলেও ২০১৩ সাল থেকেই চীনের টায়ানহে-২ নামের সুপারকম্পিউটার রয়েছে বিশ্বের সুপারকম্পিউটারের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে। 
আবার কয়েকদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও সুপারকম্পিউটারের গবেষণায় আরও বেশি জোর দিয়ে সুপারকম্পিউটারের তালিকায় মার্কিন শীর্ষস্থান ফিরিয়ে নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশের সুপারকম্পিউটারে চীনের তৈরি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশও ব্যবহূত হয়ে থাকে। ফলে এর আগেই সুপারকম্পিউটারের জন্য যন্ত্রাংশ সরবরাহের ক্ষেত্রে চীন সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এবারে শক্তিশালী কম্পিউটার বা সুপারকম্পিউটার রপ্তানির ওপরও সরাসরি বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো। প্রযুক্তি খাতে চীন ক্রমশই বিশ্বব্যাপী এগিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের এই অগ্রগামিতা ধরে রাখতেই এই ধরনের সিদ্ধান্তের দিকে চীন সরকার ঝুঁকে পড়ছে বলে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে