,

ধর্মীয় শিক্ষকদের বিয়ে পড়াতে নিরুৎসাহের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ

news-image

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধর্মীয় শিক্ষকদের বিয়ে পড়াতে নিরুৎসাহিত করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ধর্মীয় শিক্ষক বা কর্মচারীদের দিয়ে বিয়ে পড়ানোকে নিরুৎসাহিত করে অবিলম্বে পরিপত্র জারি করতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৯ জুলাই) এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষক/শিক্ষিকা/কর্মচারীর বিয়ে কর্তৃক বিয়ে পড়ানোকে নিরুৎসাহিত করে অবিলম্বে পরিপত্র জারি করবে। সাধারণত দেশের গ্রাম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিয়ে বিয়ে পড়ানোর প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এসব বিয়ে হয়ে থাকে অল্প বয়সে। সরকারও বিয়ের বয়স কমানোর উদ্যোগ নিতে চাইলে বাধ সাধে নারী সংগঠনগুলো। বাল্য বিবাহ সংক্রান্ত এক আলোচনায় গত মঙ্গলবার মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিয়ের বয়স ১৮-ই থাকছে। একদিন পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়, ধর্মীয় বা অন্য কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মীচারীকে আইনে নির্ধারিত ন্যূনতম বয়স সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েই পাত্র/পাত্রীর বিয়ে পড়াতে হবে এবং বয়স সংক্রান্ত কাগজপত্রও সংরক্ষণ করতে হবে। বিয়ে পড়ানো শিক্ষক সংশ্লিষ্ট বিয়ে রেজিস্ট্রেশনের বিষয়টিও নিশ্চিত করবেন। এ বিষয়গুলো পরিপত্রে উল্লেখ থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভীর  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গত বছরের ১৮ মার্চ বাল্য বিবাহ সংক্রান্ত পরামর্শক সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। নির্দেশনায় ছাত্রীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তির পরিমাণ ও সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে উল্লেখ করা হয়। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, অধিদপ্তরাধীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে যথাসম্ভব দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়নপূর্বক শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবিহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে ছেলেদের বিয়ের বয়স ২১ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর। এর কম বয়সে বিয়ে দেওয়ার বিষয়ে বিধি-নিষেধ রয়েছে। গত বছরের ২৩ জুন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিয়ে বিয়ে না পড়ানোর বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছিল। 

তবে ক্ষেত্র বিশেষে বিয়ে পড়ানো আবশ্যক হলে আইনে নির্ধারিত পাত্র-পাত্রীর ন্যূনতম বয়স সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েই বিয়ে পড়াতে হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ ছিল। পরিপত্রে বিয়ের বয়স সংক্রান্ত কাগজপত্র সংরক্ষণ এবং বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের নিশ্চিত করতে করতে বলেছিল মন্ত্রণালয়।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ