বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চক্রের ছয় সদস্য গ্রেফতার চট্টগ্রামে, উদ্ধার ৭

news-image

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণকারী চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গতকাল ভোররাতে পাঁচলাইশ থানার বেবি সুপার মার্কেট এলাকার আদর্শ ভিলার শাহাবুদ্দিনের বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ওই বাসা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আঁখি আক্তার নামে এক পোশাক শ্রমিকসহ ৭ জন মেয়ে ও বিত্তশালীদের একটি তালিকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হল-অপহরণ চক্রের প্রধান চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার বাগপুর বেপারিবাড়ির মৃত দুদু মিয়ার ছেলে মো. শাহাবুদ্দিন ওরফে বাচ্চু (৪৫), শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী শেলী আক্তার (৩৪), লোহাগাড়া আজিজনগর এলাকার শুক্কুর আলমের মেয়ে শারমিন আক্তার প্রিয়া (২২), কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার শিলখালী এলাকার মৃত সেকান্দর মাস্টারের ছেলে মো. সেলিম (৪৮), চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার পশ্চিম পটিয়া এলাকার মৃত নাজিম উদ্দিনের ছেলে মো. ওসমান (৩৪) ও সাতকানিয়া থানার ধর্মপুর এলাকার জসীম উদ্দিনের ছেলে মিনহাজ উদ্দিন এনাম (২৯)। তারা সবাই আদর্শ ভিলায় শাহাবুদ্দিনের বাসায় থাকত।
মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন, পরিচিত বিত্তশালীদের টার্গেট করে সুন্দরী মেয়েদের মাধ্যমে প্রেমের ফাঁদে ফেলে জোরপূর্বক মুক্তিপণ আদায় করত চক্রটি। বিভক্ত হয়ে চক্রটি নগরীর বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালাত। এদের কাছ থেকে রক্ষা পেয়ে ভুক্তভোগী পুলিশের কাছে অভিযোগ করলেও অনেকে চক্ষুলজ্জায় করেনি। এ ধরনের অপহরণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তে নামে। এডিসি তানভীর বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের এক এসআইকে দিয়ে চক্রটির সদস্য শারমিনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলানো হয়। ফাঁদে ফেলে ওই এসআইয়ের সঙ্গে দেখা করতে এলে পুলিশ শারমিন আক্তারকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে বিভিন্ন সময় অপহরণের ঘটনা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে মূল হোতা শাহাবুদ্দিনসহ আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় বিত্তশালীদের একটি তালিকা ও সাতজন মেয়েকে উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, শাহাবুদ্দিনের বাসায় পুরুষদের আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো এবং ফোন করত শারমিন। আটকে রেখে তাদের কাছ থেকে ৩০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ দাবি করা হতো এবং মুক্তিপণ দিলে আটককৃতদের ছেড়ে দিত তারা। এ চক্রের সঙ্গে ১৫-১৬ জন সদস্য নগরীর বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় আছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এডিসি তানভীর। তানভীর বলেন, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে আঁখি আক্তারকে গত দুই মাস আগে ইপিজেড এলাকা থেকে চক্রটি অপহরণ করে। তাকে বাধ্য করে তারা এসব কাজে ব্যবহার করত। আঁখি এ ঘটনায় অপহরণ ও নারী নির্যাতন আইনে দুটি মামলা দায়ের করেছে। গ্রেফতার হওয়া শারমিন আক্তার বলেন, আনোয়ার রাজু ভালো চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আমাকে এ পেশায় নিয়ে আসে। পরে এ পেশা থেকে বের হতে চেষ্টা করলেও রাজুর হুমকির কারণে পারিনি। এ ছাড়া পরিবারের আর্থিক অবস্থার কারণে বাধ্য হয়ে এ চক্রে থাকতে হয়েছে। গত এক বছরে প্রায় ১৫ জনকে আটকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়েছে জানিয়ে শারমিন বলেন, আমি ছাড়াও অনেক মেয়ে আমাদের এ চক্রে কাজ করে। গত এক বছরে আমার মাধ্যমে ১৫ জনের কাছ থেকে তারা টাকা আদায় করেছে। আমাকে প্রতিজনে ৫ হাজার টাকা দিত। অপহরণের মূল হোতা শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় হত্যা মামলা রয়েছে বলে জানা

এ জাতীয় আরও খবর

বিক্ষোভে গিয়ে আটক ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান

আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল

১২৮ দলের বিশ্বকাপও হতে পারে ভবিষ্যতে

নিট আন্দোলন: আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে বলল সিজেপি

তাসনিম জারার তদন্তের দাবি, এমপি গাজী নজরুলের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

২০২৭ সালের হজে বেসরকারি ৩ প্যাকেজ, খরচ কত

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন

একনেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, রাহুলের পাঁচ দাবি

আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর হলো বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে