,

কেন আইএসের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে পশ্চিমা তরুণীরা!

news-image

পশ্চিমা বিশ্বের তরুণীদের মধ্যে আইএসের প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ রয়েছে, যা তাদের জঙ্গি সংগঠনটিতে যোগ দিতে উৎসাহিত করছে। অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ পশ্চিমা বিশ্বের অন্য দেশগুলো থেকে শত শত নারী ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসের সঙ্গে জড়িত হতে আগ্রহ প্রকাশ করছে। তারা ফেসবুক, টুইটার প্রভৃতি ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সাহায্যে তাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।

পশ্চিমা বিশ্বের সরকারগুলো এখন পর্যন্ত তরুণীদের আইএসের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার প্রবণতা থেকে বের হওয়ার উপায় খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে আইএস তরুণীদের যে মিথ্যা ভবিষ্যৎ জীবনের ছবি দেখাচ্ছে তা এতটাই রঙিন যে, তার প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হচ্ছে তরুণীরা। অর্থাৎ শব্দের যুদ্ধে বিজয়ী হচ্ছে জঙ্গিরা। সম্প্রতি এর কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব র‌্যাডিক্যালাইজেশন।’ আইএস গত একবছরে তাদের হাতে বন্দি প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষকে শিরচ্ছেদসহ অন্যান্য অমানবিক পদ্ধতিতে হত্যা করেছে। পশ্চিমা বিশ্বে বড় হওয়া একজনের জন্য আইএসের প্রতি বিমুখ হতে এ একটি তথ্যই যথেষ্ট হওয়ার কথা। কিন্তু পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, সেটা হচ্ছে না।

আইএসে যোগ দেয়া নারীরা গোপন তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে আহত জঙ্গিদের সেবা দেয়া ও অন্যান্য কাজ করছে। এমনও প্রতিবেদন বেরিয়েছে যে, নারীরা নাকি অবিশ্বাসীদের আরও বেশি করে হত্যা করতে আইএস নেতাদের ওপর চাপ দিচ্ছে। নতুন নারী সদস্য সংগ্রহের কাজেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এরই মধ্যে আইএসে যোগ দেয়া নারীরা। আইএস যে ধরনের রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখাচ্ছে সেখানে নারীদের ক্ষমতায়নের বিষয়টি ভালোভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, এমন তথ্য দিয়ে নতুনদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পশ্চিমা বিশ্বের তরুণীরা অনুভব করে যে, বৈষম্য থেকে মুক্তি পাওয়া দরকার।

প্রকৃত ইসলামিক আদর্শের ওপর ভিত্তি করে যে রাষ্ট্র গড়ে তোলার গল্প বলে আইএস, সেখানে হয়তো আরও বেশি অর্থবহ ও পরিপূর্ণ জীবন পাওয়া যাবে, এমন প্রত্যাশা থাকে আইএসের প্রতি আগ্রহী তরুণীদের। যদিও ইসলাম থেকে তারা দিগন্ত দূরে অববস্থান করছে। পশ্চিমা বিশ্বের সরকারগুলোর ধারণা, নিজেদের পরিবারে কড়াকড়ি থেকে মুক্তি পেতে এবং জিহাদিদের বিয়ে করার আগ্রহ থেকেই এসব অল্পবয়সী, নিরীহ ও সাদাসিধা তরুণী আইএসে যোগ দিচ্ছে। এদিকে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসের হয়ে যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরে যাওয়া পশ্চিমা বিশ্বের পুরুষ নাগরিকদের সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হিসেবে গণ্য করছে ওই দেশগুলোর সরকার। কিন্তু যেসব নারী ফিরে আসছে তাদের ততটা বিপজ্জনক মনে করা হচ্ছে না। পশ্চিমা সরকারগুলোকে এ বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করে দেখতে হবে। সূত্র: ডিডব্লিউ

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ