বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাহাড় ধস ও পাহাড়ি ঢলে মা-মেয়েসহ ১২ জনের মৃত্যু

news-image

গত কয়েকদিনের টানা ভারীবর্ষণে কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে পাহাড় ধস মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। পাহাড় ধস ও ঢলের পানিতে দুইদিনে কক্সবাজারে মা-মেয়েসহ মোট ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পৃথক দুই নৌডুবিতে নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। কক্সবাজার, টেকনাফ সড়ক দ্বিতীয় দিনের মতো গতকালও বন্ধ ছিল। পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙ্গামাটিতে জনগণের মাঝে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে লাল পাতাকা টাঙ্গিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ১২০টি পরিবারকে ৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। অপরদিকে বান্দরবানেও টানা ভারীবর্ষণে ছোট-বড় শতাধিক পাহাড়ে ধস দেখা দিয়েছে। এতে হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাহাড় ও মাটি ধসে বন্ধ হয়ে গেছে বান্দরবান-রুমা ও থানছি সড়ক।এসব এলাকায় পাহাড় ধস পাহাড়ি ঢলের কারণে জনগণের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ভেঙ্গে পড়েছে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।কক্সবাজার অফিস ও জেলা সংবাদদাতা জানান, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ও  পাহাড় ধসে ফের মা-মেয়েসহ ২ পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এনিয়ে গত দুই দিনে ১২ জন নিহত হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে কমপক্ষে ১৫ জন। কক্সবাজার শহরসহ জেলার অধিকাংশ এলাকায় চলছে অনবরত পাহাড়কাটার কাজ। কোন থেমে নেই প্রকৃতির পেরেক পাহাড় নিধনযজ্ঞ। বিশেষ করে গত কয়েক দিন ধরে টানা বর্ষণের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনেকটা উৎসব করে কাটা হচ্ছে পাহাড়। কাটা এসব পাহাড়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থাপনা। এসব কারণে গত ২৬ জুলাই দিবাগত রাত দুইটার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক কিলোমিটারের মধ্যে শহরের দক্ষিণ বাহারছড়া এলাকায় পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে মা-মেয়েসহ পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেÑ স্থানীয় খায়রুল আমিনের স্ত্রী জুনু বেগম (২৮), তার মেয়ে নীহা মনি (৭), ইসলাম মিয়ার ছেলে শাহ আলম (৪৫), শাহ আলমের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (২৫) ও জাফর আলমের মেয়ে রিনা আকতার (১৬)। এ ঘটনায় চারজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হলেনÑ স্থানীয় জহিরুল হকের মেয়ে শারমিন আকতার (২০), খাইরুল আমিনের ছেলে মোহাম্মদ আয়াত (১২), জাফর আলমের ছেলে মোহাম্মদ শেফায়েত (২০) ও জাকের হোসেনের ছেলে নুরনবী (২৮)। এদিকে চকরিয়া ও রামুতে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রামুতে পাহাড়ী ঢলে ভেসে গেছে ২ জন। চকরিয়ায় শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সোমবার গতকাল ঝড়ো হাওয়ায় ট্রলার ডুবিতে জুবাইদ (৩২) নামে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে সোম ও রোববার পৃথক ২ ঘটনায় মাছ ধরার নৌকা ডুবির ঘটনায় ১৫ জন মাঝি-মাল্লা এখনো নিখোঁজ রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বন বিভাগের দ্বায়িত্ব অবহেলায় বার বার এমনটি হচ্ছে বলে মনে করছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ জানান, তাদের তিনটি ইউনিট এবং সেনাবাহিনীর একটি দলসহ স্থানীয়রা রাত থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত সমন্বিতভাবে এ উদ্ধার কাজ চালিয়েছে। তিনি বলেন, ‘পাহাড় ধসে চারটি বসত বাড়ি মাটি চাপা পড়ার পর হতাহতের ঘটনাটি ঘটে।’১৬ ইসিবি’র উদ্ধারকর্মী মোহাম্মদ শেফায়েত জানান, ‘উদ্ধারের সময় নিহত মা তার শিশু মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ছিলেন। দৃশ্যটি খুবই হৃদয়বিদারক ছিল।’পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের তৎপরতায় গত দুই বছরে পাহাড় ধসে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছরই  পাহাড় ধসের ছোটখাটো ঘটনা ঘটছে। কক্সবাজার শহর ও শহরতলীতে দীর্ঘদিন পর হঠাৎ করে পাহাড় কাটা বেড়ে গেছে। গত কয়েক দিনে টানা বৃষ্টির সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনেকটা উৎসব করে কাটা হচ্ছে পাহাড়। কাটা এসব পাহাড়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থাপনা।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কক্সবাজারের সাতটি উপজেলায় সরকারি সংরক্ষিত পাহাড় রয়েছে। পাহাড়ি বনভূমির পরিমাণ ৭৪ হাজার ৯৫১ হেক্টর। এর মধ্যে রক্ষিত বনভূমি ১২ হাজার ৬৩১ ও সংরক্ষিত বনভূমি ৬২ হাজার ৩২০ হেক্টর। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার তিন শতাধিক স্থানে অবৈধভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে। এর মধ্যে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী, ঝিলংজার লিংক রোড, কক্সবাজার কলেজ এলাকা, বিসিক এলাকা, বড়ছড়া, শুকনাছড়ি, কক্সবাজার পৌর এলাকার ঘোনারপাড়া, পাহাড়তলী, আলীর জাহাল, বিডিআর ক্যাম্প এলাকা, কলাতলীর বাইপাস, লাইট হাউজপাড়া, মোহাজেরপাড়া, কবরস্থানপাড়া, সাহিত্যিকা পল্লী, সিটি কলেজপাড়া, বৈদ্যেরঘোনা, এবিসি ঘোনা ও উল্লেখযোগ্য। এ পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতর পাহাড়ে অবৈধ বসতি উচ্ছেদ ও মাটি কাটা বন্ধে চলতি বর্ষার শুরুতে অভিযান শুরু করলেও তা অনেকটা লোক দেখানো। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের অনেকটা সহযোগিতায় কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটা হচ্ছে। কিন্তু এসব ঘটনা ধামাচাপা দিতে প্রশাসন শহরের বাইরে মাঝে-মধ্যে লোক দেখানো অভিযান চালায়।এদিকে কক্সবাজার জেলায় গত কয়েক দিনের বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এতে করে কক্সবাজার সদর, রামু, চকরিয়া, পেকুয়া, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়াতেও জনগণ দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে কক্সবাজার, রামু, চকরিয়া ও পেকুয়ার ৩ থেকে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বলে জানা গেছে। পাহাড়ি ঢাল ও বৃষ্টির পানিতে রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ডুবে গিয়ে সর্বত্র অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সৃষ্ট পানিবদ্ধতার কারণে যান চলাচলে বিঘœ ঘটে। এখনো ডুবে রয়েছে কক্সবাজার-বান্দরবান সড়ক ও টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কের রামু অঞ্চল। বাকখালী নদী ও মাতামুহুরী নদীর পানি দুকূলকে প্লাবিত করে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর ভোগান্তি বাড়িয়েছে।রাঙ্গামাটি জেলা সংবাদদাতা জানান, প্রবলবর্ষণে রাঙ্গামাটি শহরে জন জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অবিরাম বৃষ্টি আর পাহাড় ধসের ঘটনা বেড়ে যাওযায় পাহাড়ের পাদদেশ থেকে স্থানীয় প্রশাসন লোকজনকে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে রাঙ্গামাটি জেলার প্রায় ৩ শতাধিক পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় রাঙ্গামাটি শহরের মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বসবাসকারী লোকনজকে সরিয়ে নিতে প্রশাসন গত দুই দিন ধরে কাজ করে চলেছে। রোববার বিকাল থেকে শহরের ৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১২০ পরিবারকে স্থানান্তর করা হয়েছে। শহরের ওমদামিয়া পাহাড়, স্বর্ণটিলা, পুলিশ লাইন এলাকায় পাহাড়ে ব্যাপক মাটি ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় সড়কে লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেযা হয়েছে। একটানা বর্ষণে রাঙ্গামাটির শহরের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসে লোকজনের বসতবাড়ী হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উপদ্রুত এলাকাসমূহ থেকে লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছে। পাহাড় ধসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলা ত্রাণ শাখা ইতিমধ্যে ১৩ মে ট্রেক টন খাদ্য শষ্য খাদ্য শষ্য ও নগদ টাকা বিতরণ করেছে। গত তিন দিনের প্রবল বর্ষণে শহরের স্বর্ণটিলা, রিজার্ভ বাজার, কলেজ গেইট, পুলিশ লাইন রেডিও স্টেশন এলাকাসহ বেশ কয়টি স্থানে পাহাড়ে ভূমি ধসের সৃষ্টি হয়েছে। সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার ও মহিলা সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু সোমবার বিকালে উপদ্রত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।বান্দরবান থেকে স্টাফ রিপোর্টার জানান, টানা  ভারীবর্ষণে বান্দরবানের ছোট-বড় শতাধিক পাহাড়ে ধস নেমেছে। জেলার দক্ষিণাঞ্চল লামা নাইক্ষ্যংছড়ির বিভিন্ন এলাকায় এসব পাহাড় ধসে গেছে।এতে হতাহতের কোনো ঘটনা না ঘটলেও এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাহাড় ও মাটি ধসে গিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে বান্দরবান-রুমা ও থানছি সড়ক। এই সড়কের বিভিন্ন জায়গায় বিশাল বিশাল অংশ ধসে পড়েছে।সড়কের উভয় দিকে যানবাহন আটকা পড়েছে। সড়ক বন্ধ থাকায় দুটি উপজেলায় জনদুর্ভোগ এখন চরমে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি সচল করতে কয়েকদিন লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রকৌশল শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।থানছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনুয়ার হোসেন বলেন, “জীবননগর, বলিপাড়া, বাগানপাড়া, নীলগিরি ১৬ মাইলসহ বিভিন্ন জায়গায় পাহাড় ও সড়কের বিশাল অংশ ধসে গেছে। লোকজন পায়ে হেঁটে চলাচল করছে।”এদিকে জেলার লামা উপজেলার আজিজনগর, ফাইতং, ফাসিয়াখালী এলাকায় শতাধিক ছোট-বড় পাহাড়ে ধস নেমেছে। এসব পাহাড়ে বনাঞ্চল কেটে অপরিকল্পিভাবে রাবার চারা ও অন্যান্য গাছের চারা লাগানো হয়েছিল। পাহাড় কাটায় ও বৃক্ষ নিধনের ফলে পাহাড়গুলোতে ধস নামে। এসব এলাকায় জনবসতি কম থাকায় প্রাণহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে আজিজ নগর এলাকা থেকে বেশ কিছু পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে।পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জেলার দক্ষিণাঞ্চলের পাহাড়গুলোর মাটি খুবই নরম প্রকৃতির। তার ওপর এসব পাহাড় থেকে ব্যাপকভাবে মাটি কেটে ও বৃক্ষ নিধন করে নষ্ট করা হচ্ছে। ফলে প্রবল বৃষ্টির সময় পাহাড়ের ফাটল দিয়ে পানি ধুকে পড়ে ধস নামছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজিজনগর, সরই, ফাইতং, গজালিয়া, বাইশারী, সোনাইছড়ি, ঘুনধুম এলাকায় এবার ভারীবর্ষণের সময় অনেক ছোট-বড় পাহাড় ধসে গেছে। ধসে পড়া পাহাড়ের মাটিতে ফসলি জমি ও ঝিরি ঝর্ণা ভরাট হয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে বহু কাঁচা ঘরবাড়ি। এদিকে ভারীবর্ষণ কমে আসায় নিচু এলাকা থেকে বন্যার পানি কিছুটা নেমেছে। তবে বান্দরবানের সাথে সারা দেশের সড়ক যোগযোগ এখনো বন্ধ। রুমা, থানছি, লামা আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায়ও সড়ক যোগযোগ স্বাভাবিক হয়নি। বিদ্যুৎ সরবরাহ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এসব এলাকায়।  

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা