,

শিগগিরই বেসরকারিভাবে কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়

news-image

জিটুজির পর এবার বেসরকারিভাবে (বিটুবি) বাংলাদেশ থেকে দ্রুতই ১৫ লাখ কর্মী নিতে যাচ্ছে মালয়েশিয়ার সরকার। সে দেশের তিনটি প্রদেশে প্রতি বছর পাঁচ লাখ করে শ্রমিক নেওয়ার উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়ার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আগামী ২৯ জুলাই বাংলাদেশে আসছে। মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতু মোস্তফার নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলটি এ দেশে দুই দিন সফর করবে। জিটুজির পাশাপাশি বেসরকারিভাবে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সেক্টরে কর্মী নেওয়ার বিষয়ে প্রতিনিধিদলটি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সঙ্গে ৩০ জুলাই বৈঠক করবে বলে সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে বেসরকারিভাবে যে ১৫ লাখ শ্রমিক মালয়েশিয়া যাবে, তাদের তিন বছরের ভিসা দেওয়া হবে এবং পরে তারা এক বছর ভিসা নবায়ন করতে পারবে। রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর কথা থাকলেও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় বিষয়টি সরাসরি মনিটরিং করবে। বিটুবিতে মালয়েশিয়ায় যাদের পাঠানো হবে তাদের ন্যূনতম মাসিক বেতন হবে ৯০০ রিংগিত বা সাড়ে ১৮ হাজার টাকা। যারা অনলাইনে নিবন্ধন করেছে, সেসব ডাটাবেজ থেকেই কর্মী নেওয়া হবে।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'চলতি মাসেই মালয়েশিয়া থেকে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে। তাদের সঙ্গে আমাদের মন্ত্রণালয়ের বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে বেসরকারিভাবে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে আলোচনা হবে। আশা করছি, জিটুজির পাশাপাশি কম খরচে বেসরকারিভাবেও মালয়েশিয়ায় আমরা কর্মী পাঠাতে পারব। মন্ত্রী আরো বলেন, বৈধপথে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে পারলে অবৈধভাবে কেউ সমুদ্রপথে যেতে চাইবে না। বায়রার সিনিয়র সহসভাপতি আলী হায়দার চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আগামী ২৮ কিংবা ২৯ জুলাই মালয়েশিয়া থেকে উচ্চপর্যায়ের যে প্রতিনিধিদল আসছে, তাদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের পাশাপাশি বায়রার সঙ্গেও বৈঠক হবে। বেসরকারি পর্যায়ে কর্মী পাঠানো এখন সময়ের ব্যাপার। সাদমান ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বায়রার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোবারক হোসেন বাবুল কালের কণ্ঠকে বলেন, 'বৈধভাবে বেসরকারি পর্যায়ে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে কেউ মালয়েশিয়া যাবে না। তবে রিক্রুটিং এজেন্সির কোনো লোক যাতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনোভাবে প্রতারণা করতে না পারে সেই বিষয়ে বায়রার পক্ষ থেকেও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ার বাজার এখন উন্মুক্ত, সব সেক্টরেই তারা বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী। মালয়েশিয়ার সারওয়াক, সাবাসহ তিনটি অঞ্চলে ১৫ লাখ শ্রমিকের চাহিদা রয়েছে। জিটুজি পদ্ধতিতে শুধু প্লানটেশন খাতেই শ্রমিক নেওয়া হতো, এখন বেসরকারিভাবে সব খাতেই কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়। সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সাবেক প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ায় সফরে গেলে সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আহমেদ জাহিদ হামিদি এমন আগ্রহের কথা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে জানায়। বর্তমান সরকারের আগের মেয়াদে নানা প্রচেষ্টায় ২০১২ সালে জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে কর্মী পাঠানো শুরু হয়। 

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে