,

সদর হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা

news-image

আমিরজাদা চৌধুরী : এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে আসামি করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার রাতে সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত¡াবধায়ক ডা. মো. আবু সাঈদ এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দেন। পুলিশ এই অভিযোগটি দ্রুত বিচার আইনে রেকর্ড করে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান- আসামীরা নিহত শিশুর পিতা আবুল কালাম আজাদের আত্বীয়-স্বজন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেয়া অভিযোগে বলা হয়
সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নের দারোগা বাড়ির আবুল কালাম আজাদের ছেলে নিলয় (৬) বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হলে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে জেলা সদর হাসপাতালে আনা হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণের নির্দেশ দেন। এরপর নিলয়কে জেলা সদর হাসপাতালের সরকারী অ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই নিলয় মারা যায়। এ ঘটনায় ক্ষীপ্ত হয়ে রোগীর স্বজনসহ অজ্ঞাত প্রায় ৩০-৪০ জন দুষ্কৃতিকারী হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সটি ভাঙচুর করে। এরপর তারা হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও অপারেশন থিয়েটার,টিকেট কাউন্টার,দ্বিতীয় তলার প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এতে হাসপাতালের প্রায় ৪-৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকুল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়েরকৃত মামলাটি দ্রুত বিচার আইন-২০০২ এর ৪/৫ ধারায় রেকর্ড করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।এদিকে এ ঘটনায় হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক হুমায়ুনকে জেলার কসবা উপজেলায় বদলী করা হয়েছে বলে হাসপাতালের তত্বাবধায়ক জানান। তিনি আরো জানান-তদন্ত চলছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হলে তাকে সাসপেন্ড করা হতে পারে।
উল্লেখ্য- অ্যাম্বুলেন্স চালকের রোগী পরিবহনে গড়িমসিতে শিশু নিলয়ের মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুর করা হয়। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইলে হামলাকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। এতে পুলিশের এক এসআইসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রানা নুরুস শামসকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি ঘটনার তদন্ত করছে।  
তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. রানা নুরুস শামস জানান, আমাদের তদন্ত চলছে। তদন্তে যথেষ্ট অগ্রগতিও হয়েছে। অভিযুক্ত অ্যাম্বুলেন্স চালক হুমায়ূন কবির তার লিখিত বক্তব্য আমাদের কাছে জমা দিয়েছেন। শিগ্গির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা