,

বেতন-বোনাস দেয়নি এক হাজার গার্মেন্টস

news-image

১০ জুলাইয়ের মধ্যে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন আর ১৪ জুলাইয়ের (মঙ্গলবার) মধ্যে বোনাস পরিশোধ করার জন্য মালিকদের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল সরকার। গতকাল ওই সময়সীমা শেষ হয়েছে। দেশে প্রায় ৫ হাজার কারখানা চালু থাকলেও এ সময়ের মধ্যে প্রায় ১ হাজার কারখানা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করেনি।
শিল্পাঞ্চল পুলিশের মহাপরিদর্শক আব্দুস সালাম ইত্তেফাককে এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, অনেক কারখানা কর্তৃপক্ষ আগে বেতন পরিশোধ করলে ছুটি দেয়ার আগেই শ্রমিকরা চলে যায়। ফলে মালিকপক্ষ সমস্যায় পড়ে। এ আশঙ্কায় অনেকে আগেভাগে পাওনা দিতে চান না। ঈদের আগে আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যে সব কারখানা বেতন-বোনাস পরিশোধ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।  এছাড়া অতীতের ন্যায় এবার শিল্প এলাকায় অসন্তোষ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, কিছু সমস্যা থাকলেও তা কারখানার অভ্যন্তরে সমাধান হচ্ছে। বাইরে কোন অসন্তোষ নেই। তবে পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি আতিকুল ইসলাম দাবি করেছেন, প্রায় ৯৫ শতাংশ কারখানা বেতন আর ৭৫ শতাংশ কারখানা বোনাস পরিশোধ করেছে। ঈদের আগে সব কারখানাই বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে পারবে। শ্রম সচিব মিকাইল শিপারও আশা করছেন ঈদের আগে সব কারখানা বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে পারবে। সমস্যা হবে না।
তবে কারখানা মালিকপক্ষ আর সরকারের এমন আশার বাণীর মধ্যেও কিছু কারখানায় শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ নিয়ে ঝামেলা দেখা দিয়েছে। এর  ফলশ্রুতিতে ছোটখাট অসন্তোষের ঘটনাও ঘটছে।
দক্ষিণখানের সোয়ান গার্মেন্টসের ১৩শ’ শ্রমিকের বেতন বকেয়া গত তিন মাস ধরে। ঈদের আগে বেতন-বোনাসের দাবিতে শ্রমিকরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, টঙ্গির কে এল ফ্যাশন নামে একটি কারখানার শতাধিক শ্রমিক বকেয়া বেতনের দাবিতে গত তিন দিন আগে রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। গতকাল তাদের সব পাওনা পরিশোধের কথা থাকলেও কেবলমাত্র জুন মাসের অর্ধেক বেতন দেয়া হয়েছে। বাদবাকি বেতন ও বোনাস দেয়া হয়নি। শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, এসব শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এদিকে, সোয়ান গার্মেন্টসের শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে শ্রম মন্ত্রণালয় একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আহমেদের নেতৃত্বে এ কমিটিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কমিটি ফলপ্রসু কোন সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি।
শ্রম সচিব মিকাইল শিপারও এর আশু কোন সমাধান দেখছেন না। তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কারখানা মালিকের কিছু সম্পত্তিও রয়েছে। এসব বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা যাবে। কিন্তু মুস্কিল হলো, এ কারখানার মালিক মারা গেছে। ফলে এখন পর্যন্ত বৈধ কোন মালিকই নির্ধারিত হয়নি।
অবশ্য সরকারের এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন শ্রমিকরা। সোয়ান গার্মেন্টসের শ্রমিকদের অবস্থান কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেছে গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রসহ কয়েকটি বাম রাজনৈতিক সংগঠন। কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন ইত্তেফাককে বলেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নেই কিন্তু ব্যবস্থাপনা পরিষদের অন্য সদস্যদের থাকার কথা। এ দায় তাদেরই নিতে হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ