বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদায় মাহে রমজান

news-image

আজ ২৭ রমজান। রহমত, মাগফিরাত আর জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচবার অনুশাসন বয়ে নিয়ে আসা মুবারক মাস রমজান এখন শেষ হয়ে যাবার পথে। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: এই মাসে আল্লাহ্ তোমাদের প্রতি খাস মেহেরবান হন, তাঁর খাস রহমত নাযিল করেন, তোমাদের গুনাহ রাশি মাফ করে দেন এবং দু’আ কবুল করেন। তিনি আরও বলেছেন: আদ্দু’আউল মুখ্খুল ইবাদত– ‘ইবাদতের মজ্জাই হচ্ছে দু’আ।’
আল্লাহ্ সমীপে চাওয়া, আবেদন-নিবেদন করাটাই দু’আ। অতি কাকুতি-মিনতিসহ আল্লাহ্র নিকট ফরিয়াদ জ্ঞাপন করতে হয়, এটাই মুনাজাত। দুই হাত তুলে মুনাজাত করতে হয়। আল্লাহ্ জাল্লা শানুহু ইরশাদ করেন: তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো (সূরা মু’মিন : আয়াত-৬০)। হাদীস শরীফে আছে আল্লাহ্র নিকট বান্দা হাত তুললে তার হাত শূন্য অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে আল্লাহ্ লজ্জাবোধ করেন। দু’আর জন্য হাত উঠানোর পূর্বে কমপক্ষে তিনবার দরূদ শরীফ পাঠ করতে হয়। হযরত উমর রাদিআল্লাহু তা’আলা আন্হু বর্ণিত একটি বর্ণনায় আছে: দরূদ শরীফ যে দু’আয় থাকে না সে দু’আ আসমান ও জমীনের মাঝখানে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে, দু’আয় দরূদ শরীফ যুক্ত হলে তা উর্ধ্বগামী হয়। মিলাদ মাহফিল ও মিলাদে কিয়াম করার মাধ্যমে সবাই মিলে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লামের প্রতি সালাত ও সালাম পেশ করার যে রীতি রয়েছে তা আল্লাহ্র নির্দেশেরই বাস্তবায়ন। আল্লাহ্ জাল্লাশানুহু ইরশাদ করেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরূদ শরীফ পেশ করেন। ওহে তোমরা যারা ঈমান এনেছো তোমরাও তাঁর প্রতি দরূদ পেশ করো এবং যথাযথ সম্মানের সঙ্গে তাঁকে সালাম জানাও। (সূরা আহযাব : আয়াত-৫৬)। যে কারণে বছরব্যাপী মিলাদ মাহফিল ও কিয়াম করার মাধ্যমে দু’আ মাহফিল করা হয়। বৃহত্ পরিসরে ঈসালে সওয়াব ও উর্স আয়োজনের মাধ্যমে এর আঞ্জাম করা হয়। কিন্তু কোনো কোনো দরবারের নামে এমন উরস হয় যা শরীয়ত সম্মত নয়। মনে রাখতে হবে কবর সিজদা করা পীর সিজ্দা করা যিকরের নর্তন-কুর্দন করা শক্ত গোনাহর কাজ। একশ্রেণির ভণ্ড রয়েছে আজমীরের উরসের নামে চাঁদাবাজি করে সাধারণ মানুষকে ঠকায় এবং অনেক বেশরা কার্যের উস্কানি দেয়। আর একশ্রেণি নিত্যনতুন ফন্দি এঁটে কখনো তথাকথিত বিশ্ব সম্মেলনের ভাঁওতা প্রয়োগ করে লোক জড়ো করে নিজেদের পকেট ভর্তি করে আর মানুষের ঈমান আকিদা বরবাদ করে দেয়। এদের খপ্পর থেকে নিজেদেরকে বাঁচাতে হবে এবং অন্যদেরকে বাঁচাতে হবে। ইলমে তাসাওউফ এক অনন্য বিজ্ঞান। এই বিদ্যা অর্জন করতে হয় কামিল পীরের কাছ থেকে। বাংলাদেশে খাঁটি খানকাতে আজও ইসালে সওয়াব ও উরস্ অনুষ্ঠিত হয়, যেমন প্রতিবছর ২১-২২-২৩ তারিখে ১৮৯০ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয় ফুরফুরা শরীফে ইসালে সওয়াব ও ওয়াজ মাহফিল, যশোরের খড়কী শরীফে অনুষ্ঠিত হয় ১৬ চৈত্র উরস্ মুবারক, ১৮৯৫ সাল থেকে, ১৯৩৩ সাল থেকে প্রতিবছর ৪ঠা মাঘ অনুষ্ঠিত হয় ইসালে সওয়াব ও ওয়াজ মাহফিল।

এ জাতীয় আরও খবর

বিক্ষোভে গিয়ে আটক ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান

আন্দোলনে কাঁপছে দিল্লি, চাপের মুখে মোদি

তফসিল আগস্টে, প্রথম ধাপের ভোট অক্টোবরে : ইসি আনোয়ারুল

১২৮ দলের বিশ্বকাপও হতে পারে ভবিষ্যতে

নিট আন্দোলন: আলোচনার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে বলল সিজেপি

তাসনিম জারার তদন্তের দাবি, এমপি গাজী নজরুলের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক

২০২৭ সালের হজে বেসরকারি ৩ প্যাকেজ, খরচ কত

টেক্সটাইল খাতের সমস্যা সমাধানে কমিটি গঠন

একনেকে ১৪ হাজার কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী নৌপ্রধানের সাক্ষাৎ

শিক্ষার্থী বিক্ষোভে উত্তাল ভারত, রাহুলের পাঁচ দাবি

আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর হলো বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে