বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

news-image


ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ। যা চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত। অগ্রিম টিকিটের ট্রেন ছেড়ে যাবে ১৪ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। জানা যায়, ঈদ পরবর্তী সময়ে রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। বিক্রি হবে ১৬ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এবং ফেরত আসবে ২০ থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত। এ ছাড়া স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করবে ঈদের তিন দিন আগে (১৫-১৭ জুলাই) এবং ঈদের পাঁচ দিন পরে (২০-২৬ জুলাই- চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে) ৫ জোড়া ও পবিত্র ঈদের দিন সোলাকিয়া স্পেশাল ২ জোড়া মোট ৭ জোড়া ট্রেন চলাচল করবে।এর মধ্যে রয়েছে, দেওয়ানগঞ্জ স্পেশাল, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা, ১৫-১৭ জুলাই ও ২০-২৬ জুলাই। চাঁদপুর স্পেশাল-১ : চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম , ১৫-১৭ জুলাই ও ২০-২৬ জুলাই। চাঁদপুর স্পেশাল-২ : চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম , ১৫-১৭ জুলাই ও ২০-২৬ জুলাই। পার্বতীপুর স্পেশাল : পার্বতীপুর-ঢাকা-পার্বতীপুর , ১৫-১৭ জুলাই ও ২০-২৬ জুলাই। খুলনা স্পেশাল : খুলনা-ঢাকা-খুলনা , ১৫-১৭ জুলাই ও ২০-২৬ জুলাই। সোলাকিয়া স্পেশাল-১ : ভৈরব-কিশোরগঞ্জ-ভৈরব, কেবল পবিত্র ঈদের দিন।  সোলাকিয়া স্পেশাল-২ : ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ- ময়মনসিংহ, কেবলমাত্র ঈদের দিন। এ ছাড়া আন্তঃনগর ট্রেনের জন্য সাপ্তাহিক ছুটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। ১৩ জুলাই থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনের জন্য সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে না। একজন যাত্রীকে সর্বাধিক চারটি টিকিট দেওয়া হবে এবং বিক্রিত টিকিট ফেরত নেওয়া হবে না। অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে পাহাড়তলী ওয়ার্কসপ থেকে ৮৬টি ও সৈয়দপুর ওয়ার্কশপ থেকে ৮৩টি মোট ১৬৯টি (১০৯টি মিটারগেজ ও ৬০টি ব্রডগেজ)। অতিরিক্ত ২৫টি ইঞ্জিন সরবরাহ করা হবে। এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে ১২-২৬ জুলাই সেলুন সংযোজন করা হবে। কমলাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী বলেন, ঈদে ট্রেন যাতে যথারীতি ছেড়ে যায় সেই চেষ্টা করা হবে। যাত্রী চাপ বেশি থাকলে স্পেশাল ট্রেনের সঙ্গে চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে। নিরাপত্তা এবং কালোবাজারি সম্পর্কে স্টেশন ম্যানেজার বলেন, টিকিট কালোবাজারি রোধে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সাদা পোশাকে পুলিশ ছাড়াও রয়েছে আনসার এবং আর্ম পুলিশ। এ ছাড়াও ঢাকা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ সকল বড়  স্টেশনে জিআরপি, আরএনবি ও স্থানীয় পুলিশ বিজিবি এবং র‌্যাবের সহযোগিতায় টিকিট কালোবাজারি প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা হবে। তা ছাড়া জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন বাংলাদেশ রেলওয়েতে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার যাত্রী পরিবহণ করা হয়। পবিত্র ঈদুল ফিতর  উপলক্ষে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা