,

ওরা এখন আইএসের জিম্মায়

news-image

আচমকা খবরটি এলো বিশ্ব গণমাধ্যমে। ১২ সদস্যের নিখোঁজ বৃটিশ বাংলাদেশী পরিবারটি নিখোঁজ নয়। তারা এখন আইএসের জিম্মায়। বৃটিশ সরকার আগেভাগেই সন্দেহের চোখে দেখেছিল পরিবারটিকে। বাংলাদেশ ঘুরে তারা যখন ইস্তাম্বুলে তখন চারদিকে খবর রটে পরিবারটি আসলে কোথায়? দুই লাইনের একটি খবর ছিল তারা নিখোঁজ রয়েছে। গতকাল আইএসের তরফে সংবাদ মধ্যমে একটি বিবৃতি প্রচার করা হয়। বলা হয়, আবদুল মান্নানের নেতৃত্বাধীন পরিবারটি তাদের জিম্মায় রয়েছে। এই বিবৃতির সত্যতা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এই বিবৃতিকে ভিত্তি ধরে বৃটিশ সরকার তৎপরতা শুরু করেছে। বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, বিষয়টি তাদের জানা নেই। বিবৃতিতে আবদুল মান্নান বলছেন- তাদেরকে অপহরণ করা হয়নি। কিংবা জোর করে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয়নি। দুর্নীতি আর নিপীড়ন মুক্ত শরীয়া ভিত্তিক একটি ভূখণ্ডে আগে থেকে অনেক বেশি নিরাপদ রয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমগুলো একটি ছবি প্রকাশ করেছে আবদুল মান্নানের। ৭৫ বছর বয়স্ক মান্নান আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। তার পেছনে বোরকা পরিহিত একজন নারী দাঁড়ানো। গোড়ার খবর হচ্ছে- ১২ সদস্যের এই পরিবারটি নিখোঁজ রয়েছে বলে পুলিশকে প্রথম অবহিত করেন লুটনের অধিবাসী আবদুল মান্নানের দুই ছেলে। ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশে আসে তারা। ১১ই মে ইস্তাম্বুল পৌঁছান। তিনদিন পর তাদের লন্ডন পৌঁছার কথা ছিল। তখন থেকে তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের অন্যতম সদস্য রাজিয়া খানম নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী গোষ্ঠী আল-মোহাজিরুনের সঙ্গে সম্পর্কিত। রহস্য তাকে নিয়েই।  

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা