,

জমজ সন্তান কেন হয়?

news-image

লাইফস্টাইল ডেস্কএকসঙ্গে দুই বা তার অধিক সন্তানের জন্ম নতুন খবর নয়। তবে কেন একের অধিক বাচ্চা এক সময়ে গর্ভে আসে তা অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন জাগে। চিকিৎসা শাস্ত্রের আবিষ্কারে জানা গেছে, ডিম্বানুতে সাধারণত অসংখ্য শুক্রানুর ভেতর থেকে একটি সক্ষম শুক্রানু নিষিক্ত হয়ে একটি বাচ্চা জন্ম নেয়। কিন্তু মায়ের গর্ভে কখনো সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি ডিম্বানু থেকে জন্ম নিতে পারে ভিন্ন দুটি শিশু। এক্ষেত্রে শিশুদের দুটি ভ্রুণ নিষিক্ত করা সক্ষম শুক্রানু দুটিও পুরো ভিন্ন ভিন্ন। টুইন বা জমজ সন্তান আবার বাইনোভুলার বা ডাইজাইগোটিক এবং ইউনিওভুলার বা মনোজাইগোটিক হতে পারে।

বাইনোভুলার বা ডাইজাইগোটিক অর্থ হচ্ছে একই সঙ্গে সম্পুর্ণ ভিন্ন দুটি শিশু ঘটনাক্রমে একই সময় জরায়ুতে বড় হয়। ফলে শিশু দুটির আলাদা আলাদা দুটি ফুল বা প্লাসেন্টা থাকে। এদের লিঙ্গ ভিন্ন হতে পারে। এমনকি শিশু দুটির একসঙ্গে লেগে থাকার সম্ভাবনা থাকে না। জন্ম নেয়া টুইন বাচ্চাদের দুই তৃতীয়াংশই এমন ভাবে জন্ম নেয়। তাই দেখা যায় জমজ হলেও এদের লিঙ্গ, রক্তের গ্রুপ, গড়ন, গায়ের রঙ বা অন্যান্য অনেক বৈশিষ্ট এক নয়। তবে দুজন একই রকম হওয়াটাও কিন্ত অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা অস্বাভাবিক নয়।

অপরদিকে ইউনিওভুলার বা মনোজাইগোটিক অর্থ হল একটি মাত্র ডিম্বানু নিষিক্ত হয়ে যদি দুটি শিশুর জন্ম হওয়া। নিষিক্ত ডিম্বানুটি পরবর্তীতে বিভাজিত হয়ে দুটি পূর্ণাঙ্গ শিশুতে পরিণত হয়। এর ফলে দুটি শিশুর জন্য কেবল একটি মাত্র ফুল বা প্লাসেন্টা থাকে। শিশু দুটির লিঙ্গ এবং সকল শারীরিক এবং মানসিক বৈশিষ্ট এক হয়ে থাকে। শিশু দুটি পুরোপুরি একই জিন বহন করার কারণে সব বৈশিষ্ট্য একই রকম হয়। তাই এদের কে অনেক সময় আইডেন্টিকাল টুইন (Identical twin) বলা হয়। জমজ শিশুদের মধ্যে এই প্রকার শিশুরা শুধুমাত্র এক তৃতীয়াংশ। অনেক সময় এ ধরনের জমজ শিশু একজন অপরজনের কাছ থেকে পুরোপুরি আলাদা হয়না এবং জন্মের পরও এদের কিছু কিছু অঙ্গ সংযুক্ত থাকতে পারে। বর্তমানে শল্য চিকিৎসার মাধ্যমে এ ধরনের শিশুকে আলাদা করার ব্যবস্থা আবিষ্কার হয়েছে।

জমজ সন্তান ধারন করলে গর্ভবতী মায়ের নিতে হয় বাড়তি সাবধানতা। বর্তমানে আল্ট্রাসনোগ্রাফির কল্যাণে আগে থেকেই গর্ভের সন্তান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। তাই মায়ের অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এসকল মায়ের এনিমিয়া, এক্লাম্পসিয়া, এন্টিপারটাম হেমোরেজ, ম্যাল প্রেজেন্টেশন, প্রিটার্ম লেবার সহ নানাবিধ সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে। এজন্য এসকলক্ষেত্রে শুরু থেকেই একজন স্ত্রী ও প্রসুতি রোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে করলে মা এবং শিশু দুজনেরই জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা