,

নাওঘাট ডাঃ তাঞ্জব আলী ফকির মাজার এর নতুন কমিটি চাই বক্তবৃন্দরা

news-image

আশুগঞ্জ প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাওঘাট গ্রামের ডাঃ তাঞ্জব আলী ফকিরের মাজারটি উনার জীবদ্ধশায় ৩০/০৫/২০০৭সনে মাজারটি সরকারী করণ হয়। ডাঃ তাঞ্জব আলী ফকির ১১/০৩/২০১১সনে ইন্তেকাল করেন।  এই মাজারের মতোয়াল্লী করা হয়েছে উনার ছেলে সানা উল্লাহ মিয়াকে। আর সানা উল্লাহ মিয়া মতোয়াল্লী থাকা অবস্থায় বক্তবৃন্দারা মাজারে গিয়ে জিকির আসকার, মিলাদ মাহফিল ও বাউল গান করতে সম্পূর্ণ নিষেধ করেছেন সানা উল্লাহ মিয়া।  ডাঃ তাঞ্জব আলী ফকিরের ০৫ ছেলে ও ০৬ মেয়ের মধ্যে দির্ঘদিন যাবত এই মাজার নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ চলছে। তাঞ্জব আলী ফকিরের প্রবাসী ছেলে বাক্কী মিয়া মোটো ফোনে জানান তার বাবার মাজারে আগে অনেক বক্তবৃন্দ আসত। তার ভাই সানা উল্লাহ মিয়ার কারণে লোকজন কমে যাচ্ছে। কারণ মাজারে অনুষ্ঠান করতে বরাবরই বারণ করছে সানা উল্লাহ মিয়া। দেশে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বক্তবৃন্দরা একমাত্র সানা উল্লাহ মিয়া ও তার কিছু অনুসারীদের কারণে মাজারের কার্যক্রম চালাতে পাচ্ছেনা। এ বিষয়ে মতোয়াল্লী সানা উল্লাহ মিয়ার সাথে মোটো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন মাজারে মদ,গাজা সহ অসমাজিক কাজ চলে বিধায় মাজারের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন। এব্যাপারে তার বোন খায়রুন্নেছা বলেন আমার ভাই সানা উল্লাহ মিয়া সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলেছে। তার কাজই  মিথ্যা কথা বলা ও মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা। মাজার শরীফে কখনও অসমাজিক কাজ হয়নি, ইহা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। এ বিষয়ে আশুগঞ্জ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান হাজী মোঃ আমির হোসেন বলেন আমরা ছোট সময় থেকে দেখে আসছি ডা: তাঞ্জব আলী ফকিরের বাড়ীতে হাজার হাজার বক্তের আনাগুনা। কিন্তু বর্তমান কমিটির কারণে আজ ইহা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। দূরদুরান্তের বক্তবৃন্দকে কোন প্রকার মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।   আশুগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোবারক মিয়া বলেন মাজারে যদি অসামাজিক কোন কার্যক্রম চলে আর এই কারণে যদি বর্তমান মাজার কমিটি কার্যক্রম বন্ধ রাখে তাহলে তো ঠিকই আছে। আর যদি মদ,গাজা ও অসামাজিক কাজ না চলে আমি মনে করি মাজার শরীফে মিলাদ কেয়াম, জিকির আজকার ও বাউল গান করতে নিষেধ করাটা বর্তমান মাজার কমিটির সম্পূর্ণ অন্যায়। তবে এ বিষয়ে আমি আরও খতিয়ে দেখব। তালশহর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবু সামা বলেন আমি দীর্ঘদিন দরে দেখে আসছি ফকির সাহেব জীবিত থাকা অবস্থায় এবং ইন্তেকালের পরেও উনার বাড়ীতে মিলাদ মাহলি ও বাউল গান পরিবেশন হত। কিন্তু বর্তমান কমিটির অবহেলায় তা হচ্ছে না। তাই আমি মনে করি মাজারটি যেহেতু সরকারী, কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নজর দিয়ে বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন একটি কমিটি করে দিলে আমার মনে হয় মাজারে ধর্মীয় কার্যক্রম নিয়মিত চলবে। তারুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ বাদল সাদির বলেন আমিও জানি এই মাজারটি অনেক ঝাকজমক ছিল। দেশের দূরদুরান্ত থেকে বক্তবৃন্দরা আসত। কিন্তু বর্তমান কমিটির অবহেলার কারণে ডা: তাঞ্জব আলী ফকিরের মাজারের সুনাম দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। এমতাবস্থায় সরকারের কাছে এলাকা বাসী ও বক্তবৃন্দের দাবী বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন একটি কমিটি করে দেওয়া হলে মাজেরর কার্যক্রম ও উন্নয়ন ধারাবাহিক ভাবে চলতে কোন প্রকার সমস্যা হবে না।  

 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ